ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৫

মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী কোহিনুর আক্তার।

মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী কোহিনুর আক্তার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারাবন্দি জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশি আব্দুল হামিদ (৪৫) মারা গেছেন। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী কোহিনুর আক্তার। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আব্দুল হামিদকে আটক করে। এরপর থেকে তিনি আবুধাবির আল-সদর কারাগারে বন্দি ছিলেন। কোহিনুর আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে দুইবার ফোনে কথা হয় তাদের। পরে ২২ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান বলে পরিবার জানতে পারে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পরিবার জানায়, দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছেন—আব্দুল হামিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হোক এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের ব্যবস্থা করা হোক। অন্যদিকে, আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে আব্দুল হামিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস জানায়, ইতোমধ্যে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং মৃতদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ রিপোর্ট ও মৃত্যু সনদ পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে পাঠানো হবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরও অন্তত ২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন কারাগারে আটক আছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী কোহিনুর আক্তার।

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারাবন্দি জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশি আব্দুল হামিদ (৪৫) মারা গেছেন। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন স্ত্রী কোহিনুর আক্তার। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আব্দুল হামিদকে আটক করে। এরপর থেকে তিনি আবুধাবির আল-সদর কারাগারে বন্দি ছিলেন। কোহিনুর আক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে দুইবার ফোনে কথা হয় তাদের। পরে ২২ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান বলে পরিবার জানতে পারে। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পরিবার জানায়, দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছেন—আব্দুল হামিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হোক এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের ব্যবস্থা করা হোক। অন্যদিকে, আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে আব্দুল হামিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস জানায়, ইতোমধ্যে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং মৃতদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ রিপোর্ট ও মৃত্যু সনদ পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব মরদেহ দেশে পাঠানো হবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরও অন্তত ২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন কারাগারে আটক আছেন।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল