আমন্ত্রণ পেয়েও গাজা যুদ্ধবিরতি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে না ইরান
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫
আমন্ত্রণ পেয়েও গাজা যুদ্ধবিরতি সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে না ইরান
গাজায় চলমান সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিশরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে বৈঠকে বসছেন বিশ্বের শীর্ষ নেতারা। তবে আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না ইরান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, “শারম আল-শেখের এই সম্মেলনে ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু আমি কিংবা আমাদের প্রেসিডেন্ট এমন দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে বসতে পারি না, যারা ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে, আমাদের হুমকি দিচ্ছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “গাজায় দখলদার ইসরাইলের গণহত্যা বন্ধে এবং দেশটির সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে নেওয়া যেকোনো উদ্যোগকে ইরান স্বাগত জানায়। তবে ইরান তাদের নীতিগত অবস্থান থেকে একচুলও সরবে না। এই অঞ্চলে ইরান অতীতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি ছিল, এখনো তাই আছে।”
এর আগে চলতি বছরের ১৩ জুন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে চালানো সেই আগ্রাসনে ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন।
প্রতিশোধে ইরান ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরে ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ নামে আরও কয়েকটি পাল্টা অভিযান শুরু করে তেহরান। ১২ দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ২৪ জুন উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। সংঘর্ষে ইসরাইলও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে, যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে।
এদিকে গাজা যুদ্ধবিরতি বিষয়ক এই সম্মেলনের সহ-সভাপতিত্ব করছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এতে ইসরাইল বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কোনো প্রতিনিধি থাকছেন না।
বিশ্বের ২০টির বেশি দেশের শীর্ষ নেতা এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে মিশরে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।
গাজায় চলমান সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিশরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে বৈঠকে বসছেন বিশ্বের শীর্ষ নেতারা। তবে আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না ইরান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, “শারম আল-শেখের এই সম্মেলনে ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু আমি কিংবা আমাদের প্রেসিডেন্ট এমন দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে বসতে পারি না, যারা ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে, আমাদের হুমকি দিচ্ছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “গাজায় দখলদার ইসরাইলের গণহত্যা বন্ধে এবং দেশটির সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যে নেওয়া যেকোনো উদ্যোগকে ইরান স্বাগত জানায়। তবে ইরান তাদের নীতিগত অবস্থান থেকে একচুলও সরবে না। এই অঞ্চলে ইরান অতীতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি ছিল, এখনো তাই আছে।”
এর আগে চলতি বছরের ১৩ জুন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে চালানো সেই আগ্রাসনে ইরানের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিক নিহত হন।
প্রতিশোধে ইরান ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরে ‘ট্রু প্রমিজ থ্রি’ নামে আরও কয়েকটি পাল্টা অভিযান শুরু করে তেহরান। ১২ দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর ২৪ জুন উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। সংঘর্ষে ইসরাইলও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে, যা ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে।
এদিকে গা যুদ্ধবিরতি বিষয়ক এই সম্মেলনের সহ-সভাপতিত্ব করছেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এতে ইসরাইল বা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কোনো প্রতিনিধি থাকছেন না।
বিশ্বের ২০টির বেশি দেশের শীর্ষ নেতা এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে মিশরে পৌঁছেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারসহ অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন