মৃত্যুর পরও শরীরে সোনা নিয়েই কবরে যেতে চান নেপালের ‘গোল্ড ম্যান’, অদ্ভুত শখে অবাক সবাই!
মাথা থেকে মুখমণ্ডল, কান থেকে হাত—শরীরের প্রায় সব জায়গায় সোনার গয়না পরে আলোচনায় নেপালের এক ‘গোল্ড ম্যান’। সোনার প্রতি তার এমনই ভালোবাসা যে, জীবিত অবস্থায় গয়না পরার পাশাপাশি মৃত্যুর পরও শরীরে সোনা জড়িয়েই শেষ বিদায় নিতে চান তিনি। তার এই ব্যতিক্রমী ইচ্ছা ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা কৌতূহল।
জানা যায়, ওই ব্যক্তির শরীরজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের সোনার অলংকার। অতিরিক্ত ভারী গয়নার কারণে তার কানের লতি বেঁকে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হয়েছে বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবুও সোনার গয়না পরার প্রতি তার আগ্রহ কমেনি।
সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে মৃত্যুর পরও সোনার গয়না সঙ্গে রাখার ইচ্ছা। সাধারণত মানুষ জীবদ্দশায় নিজের পছন্দের অলংকার ব্যবহার করলেও মৃত্যুর পর সেগুলোর সঙ্গে কী হবে, তা নিয়ে এমন প্রকাশ্য আকাঙ্ক্ষা খুব একটা দেখা যায় না।
তার এই শখকে কেউ ব্যতিক্রমী ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন—মৃত্যুর পর তো দুনিয়ার কোনো সম্পদই মানুষের সঙ্গে থাকে না, তাহলে এত সোনার প্রতি এমন মোহ কেন?

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
মৃত্যুর পরও শরীরে সোনা নিয়েই কবরে যেতে চান নেপালের ‘গোল্ড ম্যান’, অদ্ভুত শখে অবাক সবাই!
মাথা থেকে মুখমণ্ডল, কান থেকে হাত—শরীরের প্রায় সব জায়গায় সোনার গয়না পরে আলোচনায় নেপালের এক ‘গোল্ড ম্যান’। সোনার প্রতি তার এমনই ভালোবাসা যে, জীবিত অবস্থায় গয়না পরার পাশাপাশি মৃত্যুর পরও শরীরে সোনা জড়িয়েই শেষ বিদায় নিতে চান তিনি। তার এই ব্যতিক্রমী ইচ্ছা ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা কৌতূহল।
জানা যায়, ওই ব্যক্তির শরীরজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের সোনার অলংকার। অতিরিক্ত ভারী গয়নার কারণে তার কানের লতি বেঁকে যাওয়ার মতো অবস্থাও তৈরি হয়েছে বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবুও সোনার গয়না পরার প্রতি তার আগ্রহ কমেনি।
সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে মৃত্যুর পরও সোনার গয়না সঙ্গে রাখার ইচ্ছা। সাধারণত মানুষ জীবদ্দশায় নিজের পছন্দের অলংকার ব্যবহার করলেও মৃত্যুর পর সেগুলোর সঙ্গে কী হবে, তা নিয়ে এমন প্রকাশ্য আকাঙ্ক্ষা খুব একটা দেখা যায় না।
তার এই শখকে কেউ ব্যতিক্রমী ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন—মৃত্যুর পর তো দুনিয়ার কোনো সম্পদই মানুষের সঙ্গে থাকে না, তাহলে এত সোনার প্রতি এমন মোহ কেন?

আপনার মতামত লিখুন