কুড়িগ্রামে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির সড়ক অবরোধ: দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
তারিখ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের সব সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি, নির্ধারিত স্ট্যান্ড স্থাপন এবং চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালক ও মালিকরা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শহরের শাপলা চত্বরে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
এই অবরোধের কারণে কুড়িগ্রাম-রংপুর, কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী ও কুড়িগ্রাম-উলিপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধ চলাকালে কুড়িগ্রাম জেলা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুম মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলীর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন লালমনিরহাট সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোজাম্মেল হক, তিস্তা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিলন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হক, ফুলবাড়ী উপজেলা কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কুড়িগ্রাম জেলা মোটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কফিল মিয়ার লোকজন বিভিন্ন সড়কে সিএনজি থেকে যাত্রী নামিয়ে জোরপূর্বক নিজেদের গাড়িতে তুলে নিচ্ছেন। এছাড়া চালকদের কাছ থেকে টাকা কেড়ে নেওয়া এবং প্রতিবাদ করলে মারধরের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে চাইলেও প্রতিনিয়ত বাধা ও হয়রানির শিকার হওয়ায় চালকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে কুড়িগ্রাম জেলা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুম মিয়া বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসনকে সিএনজি চলাচলের কার্যকর নিশ্চয়তা দিতে হবে। দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো চালকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, যাত্রী নামিয়ে দেওয়া বা মারধরের মতো হয়রানি করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যাতে জেলার কোনো সড়কেরই চাকা না ঘোরে।
পরে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ হয়রানি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ওসির আশ্বাসের পর চালকরা অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “ বিষয়টি এর আগে আমার জানা ছিল না, আজই প্রথম জানলাম। একজন অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কথা দিয়ে যাচ্ছি, সিএনজি চালকদের আর কেউ কোনো ধরনের হয়রানি করতে পারবে না। কেউ হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।”

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির সড়ক অবরোধ: দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
তারিখ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের সব সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি, নির্ধারিত স্ট্যান্ড স্থাপন এবং চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালক ও মালিকরা। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে শহরের শাপলা চত্বরে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
এই অবরোধের কারণে কুড়িগ্রাম-রংপুর, কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী ও কুড়িগ্রাম-উলিপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অবরোধ চলাকালে কুড়িগ্রাম জেলা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুম মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলীর সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরও বক্তব্য দেন লালমনিরহাট সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোজাম্মেল হক, তিস্তা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিলন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হক, ফুলবাড়ী উপজেলা কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কুড়িগ্রাম জেলা মোটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কফিল মিয়ার লোকজন বিভিন্ন সড়কে সিএনজি থেকে যাত্রী নামিয়ে জোরপূর্বক নিজেদের গাড়িতে তুলে নিচ্ছেন। এছাড়া চালকদের কাছ থেকে টাকা কেড়ে নেওয়া এবং প্রতিবাদ করলে মারধরের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নিয়ম মেনে গাড়ি চালাতে চাইলেও প্রতিনিয়ত বাধা ও হয়রানির শিকার হওয়ায় চালকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে কুড়িগ্রাম জেলা সিএনজি মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাসুম মিয়া বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসনকে সিএনজি চলাচলের কার্যকর নিশ্চয়তা দিতে হবে। দাবি মেনে না নিলে আরও কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কোনো চালকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, যাত্রী নামিয়ে দেওয়া বা মারধরের মতো হয়রানি করা হলে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যাতে জেলার কোনো সড়কেরই চাকা না ঘোরে।
পরে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কেউ হয়রানি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ওসির আশ্বাসের পর চালকরা অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, “ বিষয়টি এর আগে আমার জানা ছিল না, আজই প্রথম জানলাম। একজন অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কথা দিয়ে যাচ্ছি, সিএনজি চালকদের আর কেউ কোনো ধরনের হয়রানি করতে পারবে না। কেউ হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।”

আপনার মতামত লিখুন