বিজেএসের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পরিচয়, প্রথম দেখায় ভালো লাগা—এবার স্ত্রীও বিচারক
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ নিতে গিয়ে পরিচয়। এরপর প্রথম দেখায় ভালো লাগা, পরে পারিবারিকভাবে বিয়ে। এবার সেই স্ত্রীও একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এই দম্পতি হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী উদাস গোস্বামী ও চৈতি বিশ্বাস। উদাস গোস্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উদাস গোস্বামী জানান, তিনি বিচারক হওয়ার পর অনেকেই বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শের জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। চৈতি বিশ্বাসও তাদের একজন ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রথমবার চৈতিকে দেখেন উদাস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দেখাতেই চৈতিকে ভালো লেগে যায়। এরপর তাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়।
এবার ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলে চৈতি বিশ্বাসও উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ফলে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই বিচারক হিসেবে কর্মজীবনের পথচলা তৈরি হলো।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজেএসের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পরিচয়, প্রথম দেখায় ভালো লাগা—এবার স্ত্রীও বিচারক
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শ নিতে গিয়ে পরিচয়। এরপর প্রথম দেখায় ভালো লাগা, পরে পারিবারিকভাবে বিয়ে। এবার সেই স্ত্রীও একই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিচারক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
এই দম্পতি হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী উদাস গোস্বামী ও চৈতি বিশ্বাস। উদাস গোস্বামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উদাস গোস্বামী জানান, তিনি বিচারক হওয়ার পর অনেকেই বিজেএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরামর্শের জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। চৈতি বিশ্বাসও তাদের একজন ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রথমবার চৈতিকে দেখেন উদাস। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দেখাতেই চৈতিকে ভালো লেগে যায়। এরপর তাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়।
এবার ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলে চৈতি বিশ্বাসও উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ফলে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই বিচারক হিসেবে কর্মজীবনের পথচলা তৈরি হলো।

আপনার মতামত লিখুন