জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.কম থেকে গ্রামীণফোনের CEO, ইয়াসির আজমানের সাফল্যের গল্প
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম, এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ—সাধারণ শিক্ষাপথ পেরিয়ে দীর্ঘ করপোরেট ক্যারিয়ারে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হয়েছেন ইয়াসির আজমান।
ইয়াসির আজমান কাকলি হাইস্কুল, ঢাকা কলেজ ও আবুজর গিফারী কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন—আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি লন্ডন বিজনেস স্কুল ও INSEAD-এর নির্বাহী শিক্ষা কার্যক্রমেও অংশ নেন।
১৯৯৯ সালে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশে কাজ করেন। ২০০৫ সালে যোগ দেন গ্রামীণফোনে। এরপর সেলস, মার্কেটিং ও ডিস্ট্রিবিউশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে টেলিনর ইন্ডিয়ার ওড়িশা ও কর্ণাটক সার্কেলে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সার্কেল বিজনেস হেড এবং টেলিনর গ্রুপের ডিস্ট্রিবিউশন ও ই-বিজনেস বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৫ সালে গ্রামীণফোনে ফিরে চিফ মার্কেটিং অফিসারের দায়িত্ব নেন। ২০১৭ সালে হন ডেপুটি সিইও। এরপর ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোনের সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। গ্রামীণফোনের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াসির আজমান প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ‘হোমগ্রোন’ বাংলাদেশি সিইও।
বর্তমানে গ্রামীণফোনের প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর, ডিজিটাল সেবা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্যোগেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইয়াসির আজমানের বেতন নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আনুমানিক হিসাব পাওয়া গেলেও, তাঁর ব্যক্তিগত বেতন গ্রামীণফোন প্রকাশ করেনি। তাই নির্দিষ্ট মাসিক বেতন হিসেবে কোনো অঙ্ককে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের USD/BDT আন্তঃব্যাংক WAR ছিল ১২৩.২২ টাকা।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.কম থেকে গ্রামীণফোনের CEO, ইয়াসির আজমানের সাফল্যের গল্প
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম, এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ—সাধারণ শিক্ষাপথ পেরিয়ে দীর্ঘ করপোরেট ক্যারিয়ারে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হয়েছেন ইয়াসির আজমান।
ইয়াসির আজমান কাকলি হাইস্কুল, ঢাকা কলেজ ও আবুজর গিফারী কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন—আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি লন্ডন বিজনেস স্কুল ও INSEAD-এর নির্বাহী শিক্ষা কার্যক্রমেও অংশ নেন।
১৯৯৯ সালে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশে কাজ করেন। ২০০৫ সালে যোগ দেন গ্রামীণফোনে। এরপর সেলস, মার্কেটিং ও ডিস্ট্রিবিউশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে টেলিনর ইন্ডিয়ার ওড়িশা ও কর্ণাটক সার্কেলে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সার্কেল বিজনেস হেড এবং টেলিনর গ্রুপের ডিস্ট্রিবিউশন ও ই-বিজনেস বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৫ সালে গ্রামীণফোনে ফিরে চিফ মার্কেটিং অফিসারের দায়িত্ব নেন। ২০১৭ সালে হন ডেপুটি সিইও। এরপর ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোনের সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। গ্রামীণফোনের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াসির আজমান প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ‘হোমগ্রোন’ বাংলাদেশি সিইও।
বর্তমানে গ্রামীণফোনের প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর, ডিজিটাল সেবা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক উদ্যোগেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইয়াসির আজমানের বেতন নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আনুমানিক হিসাব পাওয়া গেলেও, তাঁর ব্যক্তিগত বেতন গ্রামীণফোন প্রকাশ করেনি। তাই নির্দিষ্ট মাসিক বেতন হিসেবে কোনো অঙ্ককে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনের USD/BDT আন্তঃব্যাংক WAR ছিল ১২৩.২২ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন