এক স্বপ্ন, একসঙ্গে পথচলা—চবির চার বন্ধু যাচ্ছেন চার দেশে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে চবির চার বন্ধুর চার দেশে পিএইচডি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন চার বন্ধু। সেই স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতিও নিয়েছেন একসঙ্গে। গবেষণা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, IELTS প্রস্তুতি থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষার আবেদন—প্রতিটি ধাপেই একে অপরের পাশে ছিলেন তাঁরা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এই চার শিক্ষার্থী হলেন—Tanjilur Rahman, Ayan Das, Mohammad Sajjad Hossain Bappy এবং Md. Iqbal Hossain Nafiz। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তাঁরা একসঙ্গে গবেষণায় যুক্ত হন। গবেষণার ধারণা নিয়ে আলোচনা, পেপারে কাজ এবং IELTS-এর প্রস্তুতিও করেছেন একসঙ্গে। চারজনেরই একে অপরের সঙ্গে গবেষণাপত্র রয়েছে। ফলে তাঁদের বন্ধুত্ব শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তৈরি হয়েছে একটি একাডেমিক সহযোগিতার পরিবেশ। এই সম্মিলিত প্রস্তুতির ফলও এসেছে চারটি ভিন্ন ঠিকানায়। Tanjilur Rahman অস্ট্রেলিয়ার The University of Queensland-এ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি শুরু করতে যাচ্ছেন। Ayan Das যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের Pennsylvania State University-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি প্রোগ্রামে। Mohammad Sajjad Hossain Bappy শুরু করতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের Ohio State University-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি। আর Md. Iqbal Hossain Nafiz যাচ্ছেন দক্ষিণ কোরিয়ার University of Science and Technology-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি প্রোগ্রামে। চারজনের একাডেমিক পথ অবশ্য এক ছিল না। তাঁদের মধ্যে দুজন স্নাতক শেষ করেই পিএইচডি শুরু করছেন, আর অন্য দুজন মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর পিএইচডিতে যাচ্ছেন। তবে পথের এই পার্থক্য তাঁদের পারস্পরিক সহযোগিতায় কোনো বাধা তৈরি করেনি। গবেষণায় যুক্ত হওয়া, ভালো একাডেমিক প্রোফাইল তৈরি করা, IELTS-এর প্রস্তুতি নেওয়া এবং বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁরা একে অপরের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা কাজে লাগিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের এই চার বন্ধু এখন চারটি ভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। তাঁদের গল্প দেখায়, উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ যাত্রায় Bday বন্ধুত্ব কখনো কখনো একে অপরের পথচলার শক্তি হয়ে উঠতে পারে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক স্বপ্ন, একসঙ্গে পথচলা—চবির চার বন্ধু যাচ্ছেন চার দেশে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে চবির চার বন্ধুর চার দেশে পিএইচডি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন চার বন্ধু। সেই স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতিও নিয়েছেন একসঙ্গে। গবেষণা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, IELTS প্রস্তুতি থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষার আবেদন—প্রতিটি ধাপেই একে অপরের পাশে ছিলেন তাঁরা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এই চার শিক্ষার্থী হলেন—Tanjilur Rahman, Ayan Das, Mohammad Sajjad Hossain Bappy এবং Md. Iqbal Hossain Nafiz। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তাঁরা একসঙ্গে গবেষণায় যুক্ত হন। গবেষণার ধারণা নিয়ে আলোচনা, পেপারে কাজ এবং IELTS-এর প্রস্তুতিও করেছেন একসঙ্গে। চারজনেরই একে অপরের সঙ্গে গবেষণাপত্র রয়েছে। ফলে তাঁদের বন্ধুত্ব শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, তৈরি হয়েছে একটি একাডেমিক সহযোগিতার পরিবেশ। এই সম্মিলিত প্রস্তুতির ফলও এসেছে চারটি ভিন্ন ঠিকানায়। Tanjilur Rahman অস্ট্রেলিয়ার The University of Queensland-এ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি শুরু করতে যাচ্ছেন। Ayan Das যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের Pennsylvania State University-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি প্রোগ্রামে। Mohammad Sajjad Hossain Bappy শুরু করতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের Ohio State University-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি। আর Md. Iqbal Hossain Nafiz যাচ্ছেন দক্ষিণ কোরিয়ার University of Science and Technology-তে ফুল ফান্ডেড পিএইচডি প্রোগ্রামে। চারজনের একাডেমিক পথ অবশ্য এক ছিল না। তাঁদের মধ্যে দুজন স্নাতক শেষ করেই পিএইচডি শুরু করছেন, আর অন্য দুজন মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর পিএইচডিতে যাচ্ছেন। তবে পথের এই পার্থক্য তাঁদের পারস্পরিক সহযোগিতায় কোনো বাধা তৈরি করেনি। গবেষণায় যুক্ত হওয়া, ভালো একাডেমিক প্রোফাইল তৈরি করা, IELTS-এর প্রস্তুতি নেওয়া এবং বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁরা একে অপরের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা কাজে লাগিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের এই চার বন্ধু এখন চারটি ভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। তাঁদের গল্প দেখায়, উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ যাত্রায় Bday বন্ধুত্ব কখনো কখনো একে অপরের পথচলার শক্তি হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন