২১ পারা মুখস্থ করা সাজ্জাদ আজ অসুস্থ, মায়ের আকুতি—ছেলেটাকে বাঁচান।
২১ পারা হিফজ শেষ, বাকি ৯ পারা—অসুস্থতায় থমকে গেছে ১৬ বছরের সাজ্জাদের স্বপ্ন
মাত্র ১৬ বছর বয়সেই পবিত্র কুরআনের ২১ পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে সাজ্জাদ। আর মাত্র ৯ পারা শেষ করলেই পূর্ণ হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতো তার। কিন্তু জটিল অসুস্থতায় বর্তমানে থমকে গেছে সেই স্বপ্ন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে সাজ্জাদের জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপরও তার অন্ত্রে জটিলতা ও ক্ষত রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে তার মাদ্রাসায় যাওয়া ও কুরআন হিফজ।
অভাবের সংসারে সাজ্জাদের বাবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও ছেলেকে একজন পূর্ণাঙ্গ হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছিলেন তারা।
কাঁদতে কাঁদতে সাজ্জাদের মা বলেন, “বাঁচান আমার ছেলেটারে, আমি ওকে হাফেজ বানাইতে চাই।”
অসুস্থ হয়ে বিছানায় থাকলেও সাজ্জাদের ইচ্ছা আবার মাদ্রাসায় ফিরে বাকি ৯ পারা হিফজ শেষ করা। তবে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার।
এ অবস্থায় সাজ্জাদের চিকিৎসা চালিয়ে নিতে মানবিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার পাশাপাশি পোস্টটি শেয়ার করে আবেদনটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে সহযোগিতা পাঠানোর আগে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সবার কাছে সাজ্জাদের জন্য দোয়া চেয়েছে পরিবার। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে আবার মাদ্রাসায় ফেরার এবং বাকি ৯ পারা হিফজ সম্পন্ন করার তৌফিক দান করেন। আমিন।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২১ পারা মুখস্থ করা সাজ্জাদ আজ অসুস্থ, মায়ের আকুতি—ছেলেটাকে বাঁচান।
২১ পারা হিফজ শেষ, বাকি ৯ পারা—অসুস্থতায় থমকে গেছে ১৬ বছরের সাজ্জাদের স্বপ্ন
মাত্র ১৬ বছর বয়সেই পবিত্র কুরআনের ২১ পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে সাজ্জাদ। আর মাত্র ৯ পারা শেষ করলেই পূর্ণ হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতো তার। কিন্তু জটিল অসুস্থতায় বর্তমানে থমকে গেছে সেই স্বপ্ন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে পেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে সাজ্জাদের জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপরও তার অন্ত্রে জটিলতা ও ক্ষত রয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে তার মাদ্রাসায় যাওয়া ও কুরআন হিফজ।
অভাবের সংসারে সাজ্জাদের বাবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও ছেলেকে একজন পূর্ণাঙ্গ হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছিলেন তারা।
কাঁদতে কাঁদতে সাজ্জাদের মা বলেন, “বাঁচান আমার ছেলেটারে, আমি ওকে হাফেজ বানাইতে চাই।”
অসুস্থ হয়ে বিছানায় থাকলেও সাজ্জাদের ইচ্ছা আবার মাদ্রাসায় ফিরে বাকি ৯ পারা হিফজ শেষ করা। তবে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার।
এ অবস্থায় সাজ্জাদের চিকিৎসা চালিয়ে নিতে মানবিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার পাশাপাশি পোস্টটি শেয়ার করে আবেদনটি অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে সহযোগিতা পাঠানোর আগে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সবার কাছে সাজ্জাদের জন্য দোয়া চেয়েছে পরিবার। আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে আবার মাদ্রাসায় ফেরার এবং বাকি ৯ পারা হিফজ সম্পন্ন করার তৌফিক দান করেন। আমিন।

আপনার মতামত লিখুন