বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪ জনকে গুলি করে পেট কেটে বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলার অভিযোগ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি ২০১০ সালের মে মাসের একটি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা চারজনকে একটি ফিশিং ট্রলারে করে পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদে নিয়ে যান।
তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, নিহতদের মধ্যে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামও ছিলেন। নদীতে নিয়ে চারজনের চোখ ও মুখ ঢেকে দেওয়া হয়। পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয় এবং পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মরদেহগুলো বলেশ্বর নদে ফেলে দেওয়া হয় বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন মেজর সাব্বির।
তার এই সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলায় ২০১০ সালের ওই হত্যাকাণ্ডে জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪ জনকে গুলি করে পেট কেটে বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলার অভিযোগ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি ২০১০ সালের মে মাসের একটি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা চারজনকে একটি ফিশিং ট্রলারে করে পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদে নিয়ে যান।
তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, নিহতদের মধ্যে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামও ছিলেন। নদীতে নিয়ে চারজনের চোখ ও মুখ ঢেকে দেওয়া হয়। পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয় এবং পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মরদেহগুলো বলেশ্বর নদে ফেলে দেওয়া হয় বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন মেজর সাব্বির।
তার এই সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলায় ২০১০ সালের ওই হত্যাকাণ্ডে জিয়াউল আহসানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন