ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় আশার আলো: দেইর আল-বালাহতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি উৎপাদন

গাজায় আশার আলো: দেইর আল-বালাহতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি উৎপাদন
গাজায় আশার আলো: দেইর আল-বালাহতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি উৎপাদন করছে নবচালু বেকারি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝে ফিরছে জীবনের ছোঁয়া। জাতিসংঘের সহায়তায় দেইর আল-বালাহ শহরে পুনরায় সচল হয়েছে একটি বড় বেকারি, যেখানে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে প্রায় তিন লাখ রুটি। এতে দীর্ঘদিন ধরে অনাহারে থাকা গাজাবাসীর মুখে ফিরেছে স্বস্তি। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) পরিচালিত বেকারিটিতে দিন-রাত চলছে ব্যস্ততা। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শ্রমিকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে রুটি বানাচ্ছেন, আর বাইরে অপেক্ষা করছেন শত শত মানুষ গরম রুটি হাতে পাওয়ার আশায়। আন্তর্জাতিক ত্রাণ কার্যক্রমের ফলে বেকারিটি আবার পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরেছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার পরিদর্শন শেষে বলেন, “যদি যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হয়, তাহলে গাজার পুনর্গঠন ও খাদ্য উৎপাদনে আরও বড় অগ্রগতি সম্ভব।” তিনি জানান, এমন আরও ৩০টি বেকারি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে জাতিসংঘের, যা ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। তবে উত্তর গাজায় পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বন্ধ রুট ও চলমান অবরোধের কারণে ত্রাণ পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে হাজার হাজার মানুষ এখনো অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে গাজায় প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৫৬০ মেট্রিক টন খাদ্যসামগ্রী প্রবেশ করছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফ্লেচার জানান, দুর্ভিক্ষ এড়াতে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ জরুরি। তবুও দেইর আল-বালাহর এই বেকারিটি এখন গাজাবাসীর কাছে এক আশার প্রতীক—যেখানে ধ্বংসের ভেতরও টিকে আছে মানবতার উষ্ণতা আর জীবনের প্রত্যাবর্তন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


গাজায় আশার আলো: দেইর আল-বালাহতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি উৎপাদন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
গাজায় আশার আলো: দেইর আল-বালাহতে প্রতিদিন তিন লাখ রুটি উৎপাদন করছে নবচালু বেকারি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝে ফিরছে জীবনের ছোঁয়া। জাতিসংঘের সহায়তায় দেইর আল-বালাহ শহরে পুনরায় সচল হয়েছে একটি বড় বেকারি, যেখানে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে প্রায় তিন লাখ রুটি। এতে দীর্ঘদিন ধরে অনাহারে থাকা গাজাবাসীর মুখে ফিরেছে স্বস্তি। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) পরিচালিত বেকারিটিতে দিন-রাত চলছে ব্যস্ততা। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শ্রমিকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে রুটি বানাচ্ছেন, আর বাইরে অপেক্ষা করছেন শত শত মানুষ গরম রুটি হাতে পাওয়ার আশায়। আন্তর্জাতিক ত্রাণ কার্যক্রমের ফলে বেকারিটি আবার পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরেছে। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার পরিদর্শন শেষে বলেন, “যদি যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হয়, তাহলে গাজার পুনর্গঠন ও খাদ্য উৎপাদনে আরও বড় অগ্রগতি সম্ভব।” তিনি জানান, এমন আরও ৩০টি বেকারি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে জাতিসংঘের, যা ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। তবে উত্তর গাজায় পরিস্থিতি এখনো ভয়াবহ। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বন্ধ রুট ও চলমান অবরোধের কারণে ত্রাণ পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে হাজার হাজার মানুষ এখনো অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে গাজায় প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৫৬০ মেট্রিক টন খাদ্যসামগ্রী প্রবেশ করছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফ্লেচার জানান, দুর্ভিক্ষ এড়াতে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ জরুরি। তবুও দেইর আল-বালাহর এই বেকারিটি এখন গাজাবাসীর কাছে এক আশার প্রতীক—যেখানে ধ্বংসের ভেতরও টিকে আছে মানবতার উষ্ণতা আর জীবনের প্রত্যাবর্তন।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল