ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

নদীভাঙনে মানুষের বসতবাড়ি, বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য

নদীভাঙনে মানুষের বসতবাড়ি, বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস পূর্বনির্ধারিত ‘নালিয়ার দোলা’তেই দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস পূর্বনির্ধারিত ‘নালিয়ার দোলা’তেই দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশকে হ'ত্যার উদ্দেশ্যে হাম'লা ও রক্তা'ক্ত জখ'ম

কুড়িগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশকে হ'ত্যার উদ্দেশ্যে হাম'লা ও রক্তা'ক্ত জখ'ম

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি: একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি: একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার"

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পেস কনফারেন্স  সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও পেস কনফারেন্স সমাবেশ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে গ্রীনহাউজ পদ্ধতিতে গাঁ'জা চাষ, পুলিশের অভিযানে প্রায় অর্ধশতাধিক গাঁ'জা গাছ উদ্ধার

কুড়িগ্রামে গ্রীনহাউজ পদ্ধতিতে গাঁ'জা চাষ, পুলিশের অভিযানে প্রায় অর্ধশতাধিক গাঁ'জা গাছ উদ্ধার

সোনাহাট সেতুর বেহাল দশা: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, বন্ধ ভারী যানবাহন

সোনাহাট সেতুর বেহাল দশা: জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, বন্ধ ভারী যানবাহন

মাদক ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়তে নিরলস কাজ করছেন সমাজসেবক মো. মমিনুল ইসলাম মামুন

মাদক ও বাল্যবিবাহমুক্ত সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়তে নিরলস কাজ করছেন সমাজসেবক মো. মমিনুল ইসলাম মামুন

গণহ'ত্যা'কারীদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না: ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁ'সির দাবিতে কুড়িগ্রামে এনসিপি’র হুং'কার

গণহ'ত্যা'কারীদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না: ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁ'সির দাবিতে কুড়িগ্রামে এনসিপি’র হুং'কার
DSK TV chanel সংগ্রীত

স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয় , কুড়িগ্রাম | 

গণহত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিচার ও বিচারের নামে প্রহসন বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামে রাজপথ প্রকম্পিত করে তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল ২৩ জুন বিকেলে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র বিজয় স্তম্ভ (জুলাই চত্বর) সংলগ্ন কলেজ মোড় এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ম শত শত উত্তেজিত জনতা ও ‘জুলাই যোদ্ধারা’ কঠোর বার্তা সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন, যেখানে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে— “জুলাই যোদ্ধার শত্রুরা হুশিয়ার, সাবধান!”

সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা:

উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশটিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মুকুল মিয়া। পুরো সমাবেশটি অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে সঞ্চালনা করেন এনসিপি’র জেলা সদস্য সচিব মাছুম মিয়া।

নেতৃবৃন্দের অগ্নিঝরা বক্তব্য:

সমাবেশে সভাপতিত্বের বক্তব্যে মুকুল মিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি। এই কুড়িগ্রামের মাটিতে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কোনো দোসরকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। যারা জুলাই মাসে ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যা করেছে, তাদের জায়গা এখন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, ক্ষমতার গদিতে নয়। আমরা সরকারকে সাফ জানিয়ে দিতে চাই, খুনিদের বিচার করতে গড়িমসি করলে কুড়িগ্রামের মাটি থেকে এমন গণবিস্ফোরণ ঘটবে যা আপনাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দেবে।”

সঞ্চালক ও সদস্য সচিব মাছুম মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গিয়েও ষড়যন্ত্র করছে। আমরা এই বিপ্লব করেছি খুনিদের উচ্ছেদ করতে। প্রতিটি শহীদের রক্তের প্রতিটি ফোঁটার হিসাব আমরা বুঝে নেব। আওয়ামী লীগের প্রতিটি খুনিকে ধরে ধরে বিচারের কাঠগড়ায় না দাঁড় করানো পর্যন্ত আমাদের এই রণকৌশল অব্যাহত থাকবে। আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে চরম ভুল করবেন।”

ছাত্র শক্তির ও যুব শক্তির কঠোর বার্তা:

জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক জাহিদ হাসান বলেন, “দেশের ছাত্র সমাজ ফ্যাসিবাদকে রুখে দিয়েছিল, প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথ দখল করতে জানি। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে প্রকাশ্য দিবালোকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে হবে। যারা এই গণহত্যার পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাদেরও এই বাংলার মাটিতে কোনো ক্ষমা নেই।”

সদস্য সচিব সাদিকুর রহমান যোগ করেন, “জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার বিপ্লব ছিল খুনিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত। আমরা কোনো আপসের পথে নেই। হয় খুনিদের বিচার হবে, নয়তো এই রাজপথই হবে তাদের বিচারস্থল। ছাত্র সমাজ জেগেছে, এবার চূড়ান্ত পতনের পালা।”

নারী শক্তির বজ্রকঠিন হুঁশিয়ারি:

জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা আরও আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “এই বাংলায় আওয়ামী লীগকে আর বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টের ঠাঁই এই সোনার বাংলায় হবে না। নারীদের ওপর নির্যাতন এবং শিশুদের যারা খুন করেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি ছাড়া আমাদের কোনো দাবি নেই। আমরা আর কোনো নাটক সহ্য করব না, কালবিলম্ব না করে অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করুন, নতুবা জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে।”

রাজপথে নতুন জাগরণ:

মিছিল ও সমাবেশজুড়ে নেতাকর্মীরা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এবং ‘খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’—এমন বজ্রকঠিন স্লোগানে পুরো শহর প্রকম্পিত করে তোলেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এনসিপি-এর এই কঠোর অবস্থান কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। কর্মসূচির সমাপ্তি পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন যে, ফ্যাসিস্টদের চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদী লড়াই কুড়িগ্রাম ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


গণহ'ত্যা'কারীদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না: ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁ'সির দাবিতে কুড়িগ্রামে এনসিপি’র হুং'কার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬

featured Image

স্টাফ রিপোর্টার হাসান মাহমুদ জয় , কুড়িগ্রাম | 

গণহত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিচার ও বিচারের নামে প্রহসন বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামে রাজপথ প্রকম্পিত করে তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল ২৩ জুন বিকেলে কুড়িগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র বিজয় স্তম্ভ (জুলাই চত্বর) সংলগ্ন কলেজ মোড় এলাকা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ম শত শত উত্তেজিত জনতা ও ‘জুলাই যোদ্ধারা’ কঠোর বার্তা সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিছিলে অংশ নিয়েছেন, যেখানে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে— “জুলাই যোদ্ধার শত্রুরা হুশিয়ার, সাবধান!”

সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা:

উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশটিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক মুকুল মিয়া। পুরো সমাবেশটি অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে সঞ্চালনা করেন এনসিপি’র জেলা সদস্য সচিব মাছুম মিয়া।

নেতৃবৃন্দের অগ্নিঝরা বক্তব্য:

সমাবেশে সভাপতিত্বের বক্তব্যে মুকুল মিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “রক্তের দাগ এখনও শুকায়নি। এই কুড়িগ্রামের মাটিতে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের কোনো দোসরকে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। যারা জুলাই মাসে ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে হত্যা করেছে, তাদের জায়গা এখন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে, ক্ষমতার গদিতে নয়। আমরা সরকারকে সাফ জানিয়ে দিতে চাই, খুনিদের বিচার করতে গড়িমসি করলে কুড়িগ্রামের মাটি থেকে এমন গণবিস্ফোরণ ঘটবে যা আপনাদের অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দেবে।”

সঞ্চালক ও সদস্য সচিব মাছুম মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গিয়েও ষড়যন্ত্র করছে। আমরা এই বিপ্লব করেছি খুনিদের উচ্ছেদ করতে। প্রতিটি শহীদের রক্তের প্রতিটি ফোঁটার হিসাব আমরা বুঝে নেব। আওয়ামী লীগের প্রতিটি খুনিকে ধরে ধরে বিচারের কাঠগড়ায় না দাঁড় করানো পর্যন্ত আমাদের এই রণকৌশল অব্যাহত থাকবে। আমাদের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে চরম ভুল করবেন।”

ছাত্র শক্তির ও যুব শক্তির কঠোর বার্তা:

জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক জাহিদ হাসান বলেন, “দেশের ছাত্র সমাজ ফ্যাসিবাদকে রুখে দিয়েছিল, প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথ দখল করতে জানি। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে প্রকাশ্য দিবালোকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে হবে। যারা এই গণহত্যার পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, তাদেরও এই বাংলার মাটিতে কোনো ক্ষমা নেই।”

সদস্য সচিব সাদিকুর রহমান যোগ করেন, “জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার বিপ্লব ছিল খুনিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত। আমরা কোনো আপসের পথে নেই। হয় খুনিদের বিচার হবে, নয়তো এই রাজপথই হবে তাদের বিচারস্থল। ছাত্র সমাজ জেগেছে, এবার চূড়ান্ত পতনের পালা।”

নারী শক্তির বজ্রকঠিন হুঁশিয়ারি:

জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা আরও আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, “এই বাংলায় আওয়ামী লীগকে আর বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। শেখ হাসিনার মতো ফ্যাসিস্টের ঠাঁই এই সোনার বাংলায় হবে না। নারীদের ওপর নির্যাতন এবং শিশুদের যারা খুন করেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি ছাড়া আমাদের কোনো দাবি নেই। আমরা আর কোনো নাটক সহ্য করব না, কালবিলম্ব না করে অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করুন, নতুবা জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে।”

রাজপথে নতুন জাগরণ:

মিছিল ও সমাবেশজুড়ে নেতাকর্মীরা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ এবং ‘খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই’—এমন বজ্রকঠিন স্লোগানে পুরো শহর প্রকম্পিত করে তোলেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এনসিপি-এর এই কঠোর অবস্থান কুড়িগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। কর্মসূচির সমাপ্তি পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন যে, ফ্যাসিস্টদের চূড়ান্ত বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিবাদী লড়াই কুড়িগ্রাম ছাড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল