ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চায় ইরান, বাণিজ্য বাড়ানোর নতুন উদ্যোগ
ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের, বাণিজ্য ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ
বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ সহজ করা, পর্যটন বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে মাননীয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রাহিমী জাহানাবাদী এ বিষয়ে ইরানের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইরানের বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় ইরান থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, ইউরিয়া সার ও খাদ্যসামগ্রী আমদানির সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়ও গুরুত্ব পায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও ইরানের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চায় ইরান, বাণিজ্য বাড়ানোর নতুন উদ্যোগ
ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের, বাণিজ্য ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ
বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ সহজ করা, পর্যটন বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে মাননীয় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রাহিমী জাহানাবাদী এ বিষয়ে ইরানের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বলেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ইরানের বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় ইরান থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, ইউরিয়া সার ও খাদ্যসামগ্রী আমদানির সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়ও গুরুত্ব পায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও ইরানের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রও আরও বিস্তৃত হবে।

আপনার মতামত লিখুন