:
হাসান মাহমুদ জয় , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
ভোর থেকে নিখোঁজ ছিলেন বৃদ্ধা সাজেদা বেগম (৬০)। স্বজনরা যখন হন্যে হয়ে তাকে চারদিকে খুঁজছিলেন, ঠিক তখন দেখা মিলল বাড়ির পাশের বিশাল এক তেঁতুল গাছের মগডালে! অবিশ্বাস্য এই দৃশ্য দেখে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য। অবশেষে ফায়ার সার্ভিসের কয়েক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস চেষ্টা ও নাটকীয় এক ঝাপের পর উদ্ধার করা হয় তাকে।
বুধবার (৬ মে) সকালে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার গোড়াই আনন্দবাজার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই অলৌকিক প্রায় ঘটনাটি এখন টক অব দ্য ডিস্ট্রিক্ট।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মো. আবু সাঈদের স্ত্রী সাজেদা বেগম বুধবার সকাল থেকে হুট করেই নিখোঁজ হন। গ্রামজুড়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের উঁচু তেঁতুল গাছের মাথায় বসে থাকতে দেখেন। একজন ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধা কীভাবে এত খাড়া ও উঁচু গাছে অবলীলায় উঠে গেলেন, তা দেখে খোদ প্রত্যক্ষদর্শীরাও হতবাক হয়ে যান।
খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে উদ্ধার অভিযানের শুরুতেই পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা আসায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে ওঠে।
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক এনামুল হক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন:
"আমরা গিয়ে দেখি ওই নারী গাছের একেবারে মগডালে অবস্থান করছেন। পরিবারের আপত্তির কারণে উদ্ধার কাজ শুরুতে বিঘ্নিত হলেও আমরা হাল ছাড়িনি। তবে উদ্ধার কার্যক্রম চলাকালীন হঠাৎ করেই তিনি গাছ থেকে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। আমাদের সদস্যরা তাৎক্ষণিক তৎপরতা দেখিয়ে তাকে পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।"
উদ্ধারের পর সাজেদা বেগম সুস্থ থাকলেও তিনি কেন বা কীভাবে গাছে উঠেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। ঘটনার পর এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—এটি কি কেবলই মানসিক কোনো বিভ্রম, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ?
আপাতত সাজেদা বেগমকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কুড়িগ্রামের শান্ত এই জনপদে তেঁতুল গাছের মগডাল থেকে বৃদ্ধা উদ্ধারের এই ঘটনা দীর্ঘদিনের এক অমীমাংসিত গল্প হয়ে থাকবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
:
হাসান মাহমুদ জয় , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
ভোর থেকে নিখোঁজ ছিলেন বৃদ্ধা সাজেদা বেগম (৬০)। স্বজনরা যখন হন্যে হয়ে তাকে চারদিকে খুঁজছিলেন, ঠিক তখন দেখা মিলল বাড়ির পাশের বিশাল এক তেঁতুল গাছের মগডালে! অবিশ্বাস্য এই দৃশ্য দেখে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য। অবশেষে ফায়ার সার্ভিসের কয়েক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস চেষ্টা ও নাটকীয় এক ঝাপের পর উদ্ধার করা হয় তাকে।
বুধবার (৬ মে) সকালে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার গোড়াই আনন্দবাজার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই অলৌকিক প্রায় ঘটনাটি এখন টক অব দ্য ডিস্ট্রিক্ট।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মো. আবু সাঈদের স্ত্রী সাজেদা বেগম বুধবার সকাল থেকে হুট করেই নিখোঁজ হন। গ্রামজুড়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরপাড়ের উঁচু তেঁতুল গাছের মাথায় বসে থাকতে দেখেন। একজন ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধা কীভাবে এত খাড়া ও উঁচু গাছে অবলীলায় উঠে গেলেন, তা দেখে খোদ প্রত্যক্ষদর্শীরাও হতবাক হয়ে যান।
খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে উদ্ধার অভিযানের শুরুতেই পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা আসায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে ওঠে।
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক এনামুল হক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন:
"আমরা গিয়ে দেখি ওই নারী গাছের একেবারে মগডালে অবস্থান করছেন। পরিবারের আপত্তির কারণে উদ্ধার কাজ শুরুতে বিঘ্নিত হলেও আমরা হাল ছাড়িনি। তবে উদ্ধার কার্যক্রম চলাকালীন হঠাৎ করেই তিনি গাছ থেকে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। আমাদের সদস্যরা তাৎক্ষণিক তৎপরতা দেখিয়ে তাকে পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।"
উদ্ধারের পর সাজেদা বেগম সুস্থ থাকলেও তিনি কেন বা কীভাবে গাছে উঠেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। ঘটনার পর এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—এটি কি কেবলই মানসিক কোনো বিভ্রম, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ?
আপাতত সাজেদা বেগমকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কুড়িগ্রামের শান্ত এই জনপদে তেঁতুল গাছের মগডাল থেকে বৃদ্ধা উদ্ধারের এই ঘটনা দীর্ঘদিনের এক অমীমাংসিত গল্প হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন