ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় মা-বাবার সামনে এমারুল (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত এমারুল উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের চর এলাকার আরফাত মিয়ার ছেলে। দরিদ্র এ পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন তিনি এবং বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় তিনি পরিবারের সামনেই নিজের ওপর আঘাত করেন। এ সময় বৃদ্ধ মা-বাবা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শারীরিক অসামর্থ্যের কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। রাত ১১টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের বোন বকুল জানান, কিছুদিন আগে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র (রিহ্যাব) থেকে বাড়িতে ফেরার পর থেকেই এমারুল মানসিকভাবে অস্থির আচরণ করছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলেও পরিবার জানিয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় হৃদয়বিদারক এক ঘটনায় মা-বাবার সামনে এমারুল (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত এমারুল উপজেলার ভুরভুরিয়া গ্রামের চর এলাকার আরফাত মিয়ার ছেলে। দরিদ্র এ পরিবারের তিন বোনের একমাত্র ভাই ছিলেন তিনি এবং বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় তিনি পরিবারের সামনেই নিজের ওপর আঘাত করেন। এ সময় বৃদ্ধ মা-বাবা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শারীরিক অসামর্থ্যের কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। রাত ১১টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের বোন বকুল জানান, কিছুদিন আগে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র (রিহ্যাব) থেকে বাড়িতে ফেরার পর থেকেই এমারুল মানসিকভাবে অস্থির আচরণ করছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলেও পরিবার জানিয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন