রংপুর-এর মিঠাপুকুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে ঘটে গেছে এক অস্বস্তিকর ও উদ্বেগজনক ঘটনা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পরীক্ষার্থীদের মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে চলমান এসএসসি পরীক্ষার সময়। হঠাৎ করেই পরীক্ষা কেন্দ্রের বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত বিকল্প ব্যবস্থা—যেমন জেনারেটর বা জরুরি আলোর ব্যবস্থা—থাকার কথা থাকলেও, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে তা কার্যকর করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাধ্য হয়ে পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির ক্ষীণ আলোতেই পরীক্ষা দিতে থাকে।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এমন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবে লিখতে তারা মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। অনেকেই ঠিকমতো প্রশ্নপত্র পড়তে পারেনি, আবার কেউ কেউ উত্তর লিখতে গিয়ে ভুল করেছে বলে আশঙ্কা করছে। এতে তাদের মানসিক চাপও বেড়ে যায়। অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এমন অব্যবস্থাপনাকে দায়িত্বহীনতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখেন। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রসচিবের গাফিলতিই দায়ী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে থেকেই যদি বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখা হতো, তাহলে শিক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগে পড়তে হতো না। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়ভাবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমালোচনা বাড়ছে। সচেতন মহল বলছে, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন অব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল ও প্রস্তুত থাকা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
রংপুর-এর মিঠাপুকুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষাকে ঘিরে ঘটে গেছে এক অস্বস্তিকর ও উদ্বেগজনক ঘটনা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পরীক্ষার্থীদের মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে চলমান এসএসসি পরীক্ষার সময়। হঠাৎ করেই পরীক্ষা কেন্দ্রের বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত বিকল্প ব্যবস্থা—যেমন জেনারেটর বা জরুরি আলোর ব্যবস্থা—থাকার কথা থাকলেও, সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে তা কার্যকর করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাধ্য হয়ে পরীক্ষার্থীরা মোমবাতির ক্ষীণ আলোতেই পরীক্ষা দিতে থাকে।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, এমন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবে লিখতে তারা মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। অনেকেই ঠিকমতো প্রশ্নপত্র পড়তে পারেনি, আবার কেউ কেউ উত্তর লিখতে গিয়ে ভুল করেছে বলে আশঙ্কা করছে। এতে তাদের মানসিক চাপও বেড়ে যায়। অভিভাবকরাও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এমন অব্যবস্থাপনাকে দায়িত্বহীনতার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখেন। তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রসচিবের গাফিলতিই দায়ী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে থেকেই যদি বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা রাখা হতো, তাহলে শিক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগে পড়তে হতো না। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়ভাবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমালোচনা বাড়ছে। সচেতন মহল বলছে, পাবলিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এমন অব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল ও প্রস্তুত থাকা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন