হাসান মাহমুদ জয় স্টাফ রিপোর্টার , কুড়িগ্রাম; ১০ জুন, ২০২৬:
তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নকে বেগবান করার লক্ষ্যে সামাজিক সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ -র কুড়িগ্রাম জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ৯ জুন কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য এই নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুর যৌথ স্বাক্ষরে এই কমিটি অনুমোদিত হয়। এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম এই কমিটির সুপারিশ প্রদান করেন।
নবগঠিত এই কমিটিতে নাসিরা খন্দকার নিসা-কে আহ্বায়ক এবং মোছা. মেরিনা পারভীন -কে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নারীদের স্বাবলম্বী ও প্রতিটি উপজেলায় কমিটি গঠনের প্রত্যয়
কমিটি গঠনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নবগঠিত কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা বলেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কুড়িগ্রামের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সমাজে নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে 'জাতীয় নারীশক্তি' কর্মমুখী ও গঠনমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।"
তিনি আরও যোগ করেন, "সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ও শক্তিশালী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের হাত ধরেই কুড়িগ্রামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে।"
"নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে?"—রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ঘোষণা সদস্য সচিবের
নবনির্বাচিত সদস্য সচিব মোছাঃ মেরিনা পারভীন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় নারীদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও অধিকারের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, "আজকের যুগে নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে? নারীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে বন্দি না রেখে তাদের রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো নারীদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া।"
নিজের রাজনৈতিক পথচলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "রাজনৈতিক দল 'এনসিপি' (NCP)-র মাধ্যমে আমার প্রথম রাজনীতি শুরু। রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে সামনে ভালো কিছু করার এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখি। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা একদম তৃণমূল, অর্থাৎ ওয়ার্ড পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ও সাহসী নারীদের খুঁজে বের করে মূল ধারায় নিয়ে আসব। নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।"
কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ:
কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবু বেগম। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আছেন মোছা. ফিরোজা খাতুন, মোছা. শেফালী বেগম, মোছা. উম্মে কুলসুম তিথি, মোছা. শাহিদা বেগম, মোছা. ঝরনা আক্তার, মোছা. তাবাসসুম শরিফা, আয়েশা সিদ্দিকা এবং ছাবিনা ইয়ামিন।
এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে মোসলেমা আক্তার এবং যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চামেলী আক্তার, মোছা. লাভলী খাতুন, মোছা. ফাতেমা তুজ জোহরা ইতি, মোছা. তাফরিন জাহান জুঁই, মোছা. কবিতা আক্তার ও মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, এই নতুন কমিটির হাত ধরে কুড়িগ্রাম জেলায় নারীদের সার্বিক উন্নয়ন, অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
হাসান মাহমুদ জয় স্টাফ রিপোর্টার , কুড়িগ্রাম; ১০ জুন, ২০২৬:
তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নকে বেগবান করার লক্ষ্যে সামাজিক সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ -র কুড়িগ্রাম জেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ৯ জুন কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য এই নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুর যৌথ স্বাক্ষরে এই কমিটি অনুমোদিত হয়। এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম এই কমিটির সুপারিশ প্রদান করেন।
নবগঠিত এই কমিটিতে নাসিরা খন্দকার নিসা-কে আহ্বায়ক এবং মোছা. মেরিনা পারভীন -কে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নারীদের স্বাবলম্বী ও প্রতিটি উপজেলায় কমিটি গঠনের প্রত্যয়
কমিটি গঠনের পর এক প্রতিক্রিয়ায় নবগঠিত কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা বলেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কুড়িগ্রামের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সমাজে নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে 'জাতীয় নারীশক্তি' কর্মমুখী ও গঠনমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।"
তিনি আরও যোগ করেন, "সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ও শক্তিশালী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের হাত ধরেই কুড়িগ্রামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে।"
"নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে?"—রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ঘোষণা সদস্য সচিবের
নবনির্বাচিত সদস্য সচিব মোছাঃ মেরিনা পারভীন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় নারীদের রাজনৈতিক সচেতনতা ও অধিকারের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, "আজকের যুগে নারীরা কেন পিছিয়ে থাকবে? নারীদের শুধু চার দেয়ালের মাঝে বন্দি না রেখে তাদের রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো নারীদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া।"
নিজের রাজনৈতিক পথচলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "রাজনৈতিক দল 'এনসিপি' (NCP)-র মাধ্যমে আমার প্রথম রাজনীতি শুরু। রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে সামনে ভালো কিছু করার এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখি। এই লক্ষ্য পূরণে আমরা একদম তৃণমূল, অর্থাৎ ওয়ার্ড পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ও সাহসী নারীদের খুঁজে বের করে মূল ধারায় নিয়ে আসব। নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ছাড়া দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।"
কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ:
কমিটির অন্যান্য পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন— সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবু বেগম। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আছেন মোছা. ফিরোজা খাতুন, মোছা. শেফালী বেগম, মোছা. উম্মে কুলসুম তিথি, মোছা. শাহিদা বেগম, মোছা. ঝরনা আক্তার, মোছা. তাবাসসুম শরিফা, আয়েশা সিদ্দিকা এবং ছাবিনা ইয়ামিন।
এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে মোসলেমা আক্তার এবং যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চামেলী আক্তার, মোছা. লাভলী খাতুন, মোছা. ফাতেমা তুজ জোহরা ইতি, মোছা. তাফরিন জাহান জুঁই, মোছা. কবিতা আক্তার ও মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, এই নতুন কমিটির হাত ধরে কুড়িগ্রাম জেলায় নারীদের সার্বিক উন্নয়ন, অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

আপনার মতামত লিখুন