শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মূল লক্ষ্য হচ্ছে দীর্ঘদিনের সেশনজট কমিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা।
শনিবার সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, করোনা মহামারি ও পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত সময় থেকে পিছিয়ে যায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। এখন সেই পিছিয়ে পড়া সময় পুষিয়ে নিতে পরীক্ষা কয়েক মাস এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এসএসসি পরীক্ষা প্রায় চার মাস এগিয়ে আসবে। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচিও ধাপে ধাপে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে পুরো শিক্ষাবর্ষ আবার আগের ছন্দে ফিরে আসে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে ‘সেশনজটের অভিশাপ’ দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, এবং পরবর্তীতে সব পাবলিক পরীক্ষাকে নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে ফিরিয়ে আনা হবে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মূল লক্ষ্য হচ্ছে দীর্ঘদিনের সেশনজট কমিয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা।
শনিবার সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, করোনা মহামারি ও পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। ফলে নির্ধারিত সময় থেকে পিছিয়ে যায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। এখন সেই পিছিয়ে পড়া সময় পুষিয়ে নিতে পরীক্ষা কয়েক মাস এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এসএসসি পরীক্ষা প্রায় চার মাস এগিয়ে আসবে। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচিও ধাপে ধাপে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে পুরো শিক্ষাবর্ষ আবার আগের ছন্দে ফিরে আসে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে ‘সেশনজটের অভিশাপ’ দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, এবং পরবর্তীতে সব পাবলিক পরীক্ষাকে নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে ফিরিয়ে আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন