বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অতীত ইতিহাস সম্পর্কে দেশবাসী সচেতন এবং সে কারণেই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ভবিষ্যতে যাতে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত বা কার্যকর প্রভাবহীন করা যায়, সে লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, দেশের মানুষ এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে তাদের প্রভাব আরও সীমিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রধান দুই দলের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্যকে ঘিরে নানা ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
তবে বিএনপি নেতার এই বক্তব্যের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলগুলোর মধ্যে এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন ও রাজনৈতিক কৌশল ঘিরে উত্তাপ বাড়ার মধ্যেই এই ধরনের মন্তব্য আরও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অতীত ইতিহাস সম্পর্কে দেশবাসী সচেতন এবং সে কারণেই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ভবিষ্যতে যাতে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত বা কার্যকর প্রভাবহীন করা যায়, সে লক্ষ্যে সবাইকে কাজ করতে হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, দেশের মানুষ এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই তাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে তাদের প্রভাব আরও সীমিত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রধান দুই দলের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্যকে ঘিরে নানা ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
তবে বিএনপি নেতার এই বক্তব্যের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলগুলোর মধ্যে এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন ও রাজনৈতিক কৌশল ঘিরে উত্তাপ বাড়ার মধ্যেই এই ধরনের মন্তব্য আরও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন