মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এসেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি। ইরান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ‘নির্লজ্জভাবে’ লঙ্ঘনের অভিযোগে এই প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এখন আর সম্ভব নয়।
ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এই নৌপথ স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা তাদের পক্ষে আর নিরাপদ নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের আগ্রাসী আচরণ অব্যাহত থাকায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখাই এখন একমাত্র উপায়।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং ইউরোপ, এশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলের অর্থনীতিতেও চাপ বাড়বে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা খোঁজার চেষ্টা শুরু করেছে।
তবে আন্তর্জাতিক মহল এখনো কূটনৈতিক সমাধানের আশায় রয়েছে। উত্তেজনা কমিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করা না গেলে, বৈশ্বিক অর্থনীতি নতুন এক বড় সংকটের মুখে পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এসেছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি। ইরান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ‘নির্লজ্জভাবে’ লঙ্ঘনের অভিযোগে এই প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এখন আর সম্ভব নয়।
ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিরাপত্তা ঝুঁকি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এই নৌপথ স্বাভাবিকভাবে চালু রাখা তাদের পক্ষে আর নিরাপদ নয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের আগ্রাসী আচরণ অব্যাহত থাকায় কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখাই এখন একমাত্র উপায়।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং ইউরোপ, এশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলের অর্থনীতিতেও চাপ বাড়বে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা খোঁজার চেষ্টা শুরু করেছে।
তবে আন্তর্জাতিক মহল এখনো কূটনৈতিক সমাধানের আশায় রয়েছে। উত্তেজনা কমিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ পুনরায় চালু করা না গেলে, বৈশ্বিক অর্থনীতি নতুন এক বড় সংকটের মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন