ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

“আমার সাইফকে আইন্না দাও”—স্বজন হারানোর বুকফাটা আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠল পরিবেশ!

“আমার সাইফকে আইন্না দাও”—স্বজন হারানোর বুকফাটা আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠল পরিবেশ!

কক্সবাজারের রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন! একই পরিবারের ৬ জনসহ ঝরে গেল এতগুলো প্রাণ, নিখোঁজ আরও অনেকে!

কক্সবাজারের রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন! একই পরিবারের ৬ জনসহ ঝরে গেল এতগুলো প্রাণ, নিখোঁজ আরও অনেকে!

একসময় চলত বাবার ৭টি বাস, আজ ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য চাইছেন ১০ টাকা সাহায্য!

একসময় চলত বাবার ৭টি বাস, আজ ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য চাইছেন ১০ টাকা সাহায্য!

 দেবিদ্বারে পুকুরে ডুবে দুই সহোদর বোনের মৃ'ত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

দেবিদ্বারে পুকুরে ডুবে দুই সহোদর বোনের মৃ'ত্যু, শোকে স্তব্ধ পরিবার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শনিবারেও খোলা থাকবে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শনিবারেও খোলা থাকবে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

বিয়ের আগের রাতে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল সৌমিকের, বর সাজার বদলে যেতে হলো কাফনে মোড়ানো লাশ হয়ে!

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

অজ্ঞান অবস্থায় হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবক, পরিচয় জানতে সহযোগিতার অনুরোধ

 ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

ক্ষমতার দাপট নয়, প্রয়োজন মানবিকতা—অসুস্থ ব্যক্তির অসহায় আকুতি ঘিরে আলোচনা

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

আলোর ব্যবহারে রোগ শনাক্তের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে বাংলাদেশি ৩ গবেষক

আলোর ব্যবহারে রোগ শনাক্তের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে বাংলাদেশি ৩ গবেষক

আলোর ব্যবহার সাধারণত আমরা দেখি আলোকিত করা বা চিত্র ধারণের কাজে। কিন্তু সেই আলোই এখন হয়ে উঠছে রোগ শনাক্তের এক সম্ভাবনাময় হাতিয়ার। নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বিশেষ ধরনের আলোক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিসসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগ একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে—যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

এই সম্ভাবনাময় গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন বাংলাদেশের তিন তরুণ গবেষক—এস. এম. রাকিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ রুবায়েত ইসলাম এবং মোহাম্মদ সবুজ মিয়া। তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের Lamar University-এর গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছেন। তাদের গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করা, যেখানে আলোর বিশেষ তরঙ্গ বা প্রতিফলন বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন খুব দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

এই প্রযুক্তিতে মূলত বায়োমেডিক্যাল অপটিক্স বা আলোকভিত্তিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। সহজভাবে বললে, মানবদেহের কোষ বা টিস্যুতে আলো ফেলে তার প্রতিফলন, শোষণ বা বিচ্ছুরণের ধরন বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় সেখানে কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না। কারণ সুস্থ ও অসুস্থ কোষ আলোর সঙ্গে ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া করে—এই পার্থক্যই শনাক্তকরণের মূল চাবিকাঠি।

গবেষকরা মনে করছেন, এই পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের যন্ত্রপাতি বা জটিল পরীক্ষার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে। এমনকি খুব কম খরচে, দ্রুত এবং ব্যথাহীন উপায়ে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে—যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, চিকিৎসা তত সহজ এবং সফল হওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি থাকে। তাই এই ধরনের গবেষণা শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও এক বড় আশার খবর।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের এই তিন তরুণ গবেষকের উদ্যোগ প্রমাণ করছে—সঠিক সুযোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পেলে দেশীয় মেধাও বিশ্বমানের উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের এই কাজ ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, যেখানে “আলো” শুধু পথ দেখাবে না, জীবনও বাঁচাবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


আলোর ব্যবহারে রোগ শনাক্তের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে বাংলাদেশি ৩ গবেষক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আলোর ব্যবহার সাধারণত আমরা দেখি আলোকিত করা বা চিত্র ধারণের কাজে। কিন্তু সেই আলোই এখন হয়ে উঠছে রোগ শনাক্তের এক সম্ভাবনাময় হাতিয়ার। নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বিশেষ ধরনের আলোক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিসসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগ একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে—যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।

এই সম্ভাবনাময় গবেষণায় যুক্ত রয়েছেন বাংলাদেশের তিন তরুণ গবেষক—এস. এম. রাকিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ রুবায়েত ইসলাম এবং মোহাম্মদ সবুজ মিয়া। তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের Lamar University-এর গবেষকদের সঙ্গে কাজ করছেন। তাদের গবেষণার মূল লক্ষ্য হলো এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করা, যেখানে আলোর বিশেষ তরঙ্গ বা প্রতিফলন বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন খুব দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

এই প্রযুক্তিতে মূলত বায়োমেডিক্যাল অপটিক্স বা আলোকভিত্তিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। সহজভাবে বললে, মানবদেহের কোষ বা টিস্যুতে আলো ফেলে তার প্রতিফলন, শোষণ বা বিচ্ছুরণের ধরন বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় সেখানে কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কি না। কারণ সুস্থ ও অসুস্থ কোষ আলোর সঙ্গে ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া করে—এই পার্থক্যই শনাক্তকরণের মূল চাবিকাঠি।

গবেষকরা মনে করছেন, এই পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের যন্ত্রপাতি বা জটিল পরীক্ষার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে। এমনকি খুব কম খরচে, দ্রুত এবং ব্যথাহীন উপায়ে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে—যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ যত দ্রুত শনাক্ত করা যায়, চিকিৎসা তত সহজ এবং সফল হওয়ার সম্ভাবনাও তত বেশি থাকে। তাই এই ধরনের গবেষণা শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও এক বড় আশার খবর।

সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের এই তিন তরুণ গবেষকের উদ্যোগ প্রমাণ করছে—সঠিক সুযোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পেলে দেশীয় মেধাও বিশ্বমানের উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাদের এই কাজ ভবিষ্যতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, যেখানে “আলো” শুধু পথ দেখাবে না, জীবনও বাঁচাবে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল