ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

হরমুজ প্রণালি মাইনমুক্ত করতে ৬ মাস সময় লাগবে: পেন্টাগন

হরমুজ প্রণালি মাইনমুক্ত করতে ৬ মাস সময় লাগবে: পেন্টাগন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে পাতা মাইন পুরোপুরি অপসারণ করতে প্রায় ৬ মাস সময় লাগতে পারে—যা চলমান সংকটকে দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। 

ওয়াশিংটন পোস্টসহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে এই সময়সীমার কথা জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ইরান অন্তত ২০টির বেশি আধুনিক সমুদ্র মাইন বসিয়ে থাকতে পারে, যেগুলোর কিছু জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত—ফলে সেগুলো শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা আরও জটিল। 

বিশ্লেষকদের মতে, এই মাইন অপসারণ কার্যক্রম সম্ভবত যুদ্ধ বা বড় ধরনের সংঘাত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত শুরুই করা যাবে না। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল দ্রুত ফিরে আসবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। 

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, কারণ বৈশ্বিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ দীর্ঘদিন অচল থাকলে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। 

ইতিমধ্যে এই সংকটের প্রভাব দেখা যাচ্ছে—তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে, অনেক তেলবাহী জাহাজ আটকে পড়েছে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। 

সব মিলিয়ে, পেন্টাগনের এই ৬ মাসের হিসাব শুধু সামরিক চ্যালেঞ্জই নয়—বরং এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে হরমুজ প্রণালির সংকট দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম, এবং এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী আরও দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


হরমুজ প্রণালি মাইনমুক্ত করতে ৬ মাস সময় লাগবে: পেন্টাগন

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে পাতা মাইন পুরোপুরি অপসারণ করতে প্রায় ৬ মাস সময় লাগতে পারে—যা চলমান সংকটকে দীর্ঘায়িত করতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। 

ওয়াশিংটন পোস্টসহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসকে দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে এই সময়সীমার কথা জানানো হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ইরান অন্তত ২০টির বেশি আধুনিক সমুদ্র মাইন বসিয়ে থাকতে পারে, যেগুলোর কিছু জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত—ফলে সেগুলো শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা আরও জটিল। 

বিশ্লেষকদের মতে, এই মাইন অপসারণ কার্যক্রম সম্ভবত যুদ্ধ বা বড় ধরনের সংঘাত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত শুরুই করা যাবে না। ফলে যুদ্ধ শেষ হলেও হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল দ্রুত ফিরে আসবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। 

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, কারণ বৈশ্বিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথ দীর্ঘদিন অচল থাকলে তেলের দাম বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হতে পারে। 

ইতিমধ্যে এই সংকটের প্রভাব দেখা যাচ্ছে—তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে, অনেক তেলবাহী জাহাজ আটকে পড়েছে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে। 

সব মিলিয়ে, পেন্টাগনের এই ৬ মাসের হিসাব শুধু সামরিক চ্যালেঞ্জই নয়—বরং এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে হরমুজ প্রণালির সংকট দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা কম, এবং এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী আরও দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূত হতে পারে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল