আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন না করা যায় তাহলে গৃহযুদ্ধের মতো সংকট দেখা দিতে পারে
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘‘রাজনীতির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’’ শীর্ষক আলোচনা সভায় জানিয়েছেন, যদি আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন না করা যায় তাহলে দেশে গৃহযুদ্ধের মতো সংকট দেখা দিতে পারে এবং এর দায় তখন নির্বাহীদের কাঁধেই পড়বে। তিনি দাবি করেন, সময় আছে—ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করলে দেশের পরিস্থিতি কোনো ধরনের দাঙ্গা-হাঙ্গামা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
সভায় তিনি আরও বলেন, সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালার একটি ড্রাফট তৈরি হয়েছে; সেটি জনসম্মুখে আনা হোক। নীতিনির্ধারকরা যদি সেই খসড়া প্রকাশ করেন, তখনই এনসিপি তার উপরে স্বাক্ষর দিতে রাজি হবে। তার ভাষ্যে, সুপারিশগুলো লুকিয়ে রাখে কোনো প্রগতিশীল পরিবর্তন সম্ভব নয় — তাই স্বচ্ছতা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, তিনি সরকারের আইনগত পরামর্শদাতাদের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, বিদেশি খেলোয়াড়দেরই তুলনায় বাংলাদেশি মাঠ দাপটে পিছলে যায়—তাই কিছু আইনজ্ঞরা নীতিনির্ধারক দলগুলোর জন্য আরও কষ্টকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন। তার মতে, খসড়া প্রকাশ হলে অনিশ্চয়তা কমবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান পরিষ্কার হবে।
একই অনুষ্ঠানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, অস্পষ্টতার মধ্যে ভর করে ভবিষ্যৎ গড়া যাবে না। তিনি জানান, গণভোট হবে কি হবে না—এ প্রশ্নটা শুধু জামায়াত ও বিএনপির মধ্যেকার কূটচক্রান্ত নয়; বরং সবার সম্মিলিতভাবে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে।
পাটওয়ারী আরও মন্তব্য করেন, বিএনপি ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট থেকে উঠে এসেছে; যদি তারা ‘‘না’’ ভোটের কনটেন্টে জয়ী হওয়ার চেষ্টা চালায়, তবে সেটি তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার পথ বেছে নেওয়া ঠিক নেই।
জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তারা আপার হাউজ ও লোয়ার হাউজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর মতো পিআর করেছে; তথাপি আপাতত জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে সাময়িক মতবিনিময় চলছে—চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে তারা একসময় একজোট হতে পারে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন