কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করে এবং নিজের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি যে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন:
* **ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ:** তিনি স্পষ্টভাবে জানান, "আমি একজন গর্বিত মুসলিম। আল্লাহ এক, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর শেষ নবী এবং আল-কুরআন মুসলমানদের প্রকৃত জীবন বিধান—আমি মনে-প্রাণে তা বিশ্বাস করি। প্রতিটি মুসলমানের জন্য নবীজির দেখানো পথই নাজাতের একমাত্র উপায়।"
* **ভ্রান্তি দূরীকরণ:** বিশেষ একটি বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি বলেন, "আমি কখনোই গরুর গোশতকে হারাম বলিনি। একটি বিশেষ চক্র আমার বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে। আমার কথায় কোনো মুসলিম ভাই কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"
* **সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি:** তিনি সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, পৃথিবীর সব সৃষ্টি এক আল্লাহর। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সবার নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও খাবারের অধিকার রয়েছে। তিনি সবাইকে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার এবং মানুষের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।
* **আত্মসংশোধন ও মানবতা:** অন্যের সমালোচনা করার চেয়ে নিজেকে সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য। ক্ষুধার্তকে অন্ন এবং বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেওয়া প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। আমাদের সুন্দর আচরণ দিয়ে সমাজকে আলোকিত করতে হবে।"
* **সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান:** মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য তিনি ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেন।
**রাজনৈতিক অবস্থান:**
আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবনের বসবাসের কারণে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় পদে ছিলেন না। আদর্শগতভাবে ছাত্র জীবনে শিবির এবং তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ ও সমর্থন করেন, তবে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই কোন পদবি গ্রহণ করেন নাই।
তিনি নাগেশ্বরী উপজেলাবাসীকে সকল বিভেদ ভুলে শান্তিতে ও মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন। তাঁর এই স্পষ্ট ও আবেগঘন ব্যাখ্যার পর স্থানীয় পর্যায়ে সৃষ্ট উত্তজনা প্রশমিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করে এবং নিজের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করে একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি যে মূল বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন:
* **ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ:** তিনি স্পষ্টভাবে জানান, "আমি একজন গর্বিত মুসলিম। আল্লাহ এক, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর শেষ নবী এবং আল-কুরআন মুসলমানদের প্রকৃত জীবন বিধান—আমি মনে-প্রাণে তা বিশ্বাস করি। প্রতিটি মুসলমানের জন্য নবীজির দেখানো পথই নাজাতের একমাত্র উপায়।"
* **ভ্রান্তি দূরীকরণ:** বিশেষ একটি বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি বলেন, "আমি কখনোই গরুর গোশতকে হারাম বলিনি। একটি বিশেষ চক্র আমার বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ফায়দা লুটতে চাইছে। আমার কথায় কোনো মুসলিম ভাই কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"
* **সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি:** তিনি সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, পৃথিবীর সব সৃষ্টি এক আল্লাহর। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সবার নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও খাবারের অধিকার রয়েছে। তিনি সবাইকে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার এবং মানুষের প্রতি মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।
* **আত্মসংশোধন ও মানবতা:** অন্যের সমালোচনা করার চেয়ে নিজেকে সংশোধনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য। ক্ষুধার্তকে অন্ন এবং বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেওয়া প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। আমাদের সুন্দর আচরণ দিয়ে সমাজকে আলোকিত করতে হবে।"
* **সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান:** মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার জন্য তিনি ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেন।
**রাজনৈতিক অবস্থান:**
আশরাফুল ইসলাম ইসরাইল পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাস জীবনের বসবাসের কারণে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় পদে ছিলেন না। আদর্শগতভাবে ছাত্র জীবনে শিবির এবং তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ ও সমর্থন করেন, তবে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই কোন পদবি গ্রহণ করেন নাই।
তিনি নাগেশ্বরী উপজেলাবাসীকে সকল বিভেদ ভুলে শান্তিতে ও মিলেমিশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তাঁর বক্তব্যের সমাপ্তি টানেন। তাঁর এই স্পষ্ট ও আবেগঘন ব্যাখ্যার পর স্থানীয় পর্যায়ে সৃষ্ট উত্তজনা প্রশমিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন