মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি সম্ভব হলেও ইসরাইল-এর উপস্থিতিতে কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই। তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, যদি ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উভয় দেশের জন্যই নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির জন্যও ইতিবাচক একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। তার মতে, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক সংলাপই হতে পারে সংকট কমানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, আলোচনায় ইসরাইলপন্থি কোনো প্রতিনিধি থাকলে সেই প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে। ইরানের অবস্থান স্পষ্ট—তাদের মতে, ইসরাইলের উপস্থিতি আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তোলে এবং পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি তৈরি করে। এই কারণে এমন পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তবসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে মনে করছে তেহরান।
এই বক্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ সমান্তরালভাবে চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত সমঝোতার সম্ভাবনা খোলা রাখছে, অন্যদিকে ইসরাইলকে আলোচনার বাইরে রাখতে কৌশলগত অবস্থান নিচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রেও ইরান নিজের শর্ত বজায় রাখতে চাইছে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের সম্ভাব্য বৈঠক সফল হলে তা শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেই নয়, বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আলোচনায় কারা অংশ নেবে এবং কীভাবে তা এগোবে—এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে চুক্তির ভবিষ্যৎ। ????????

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি সম্ভব হলেও ইসরাইল-এর উপস্থিতিতে কোনো চুক্তির সম্ভাবনা নেই। তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, যদি ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উভয় দেশের জন্যই নয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির জন্যও ইতিবাচক একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। তার মতে, বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক সংলাপই হতে পারে সংকট কমানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে দেন, আলোচনায় ইসরাইলপন্থি কোনো প্রতিনিধি থাকলে সেই প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে। ইরানের অবস্থান স্পষ্ট—তাদের মতে, ইসরাইলের উপস্থিতি আলোচনার পরিবেশকে জটিল করে তোলে এবং পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি তৈরি করে। এই কারণে এমন পরিস্থিতিতে কোনো বাস্তবসম্মত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে মনে করছে তেহরান।
এই বক্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ সমান্তরালভাবে চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত সমঝোতার সম্ভাবনা খোলা রাখছে, অন্যদিকে ইসরাইলকে আলোচনার বাইরে রাখতে কৌশলগত অবস্থান নিচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রেও ইরান নিজের শর্ত বজায় রাখতে চাইছে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের সম্ভাব্য বৈঠক সফল হলে তা শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেই নয়, বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আলোচনায় কারা অংশ নেবে এবং কীভাবে তা এগোবে—এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে চুক্তির ভবিষ্যৎ। ????????

আপনার মতামত লিখুন