যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Yvette Cooper বলেছেন, Strait of Hormuz দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজগুলোর ওপর ইরানের টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের স্বাধীন চলাচল নীতির পরিপন্থী।
লন্ডনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালী একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জলপথ, যেখানে সব দেশের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ বাধাহীনভাবে চলাচলের অধিকার রাখে। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী কোনো একক দেশের পক্ষে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অবরোধ বা বাধা আরোপ করার এখতিয়ার নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখা। কারণ এই জলপথ বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, যার মাধ্যমে বড় অংশের তেল ও জ্বালানি পরিবহন হয়।
তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, যুক্তরাজ্য মনে করে এই ধরনের টোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক নৌচলাচল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে এবং এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে। এই জলপথে যেকোনো ধরনের বাধা বা নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফলে যুক্তরাজ্যের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Yvette Cooper বলেছেন, Strait of Hormuz দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজগুলোর ওপর ইরানের টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের স্বাধীন চলাচল নীতির পরিপন্থী।
লন্ডনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালী একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক জলপথ, যেখানে সব দেশের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ বাধাহীনভাবে চলাচলের অধিকার রাখে। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী কোনো একক দেশের পক্ষে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অবরোধ বা বাধা আরোপ করার এখতিয়ার নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখা। কারণ এই জলপথ বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, যার মাধ্যমে বড় অংশের তেল ও জ্বালানি পরিবহন হয়।
তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, যুক্তরাজ্য মনে করে এই ধরনের টোল বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক নৌচলাচল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে এবং এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দীর্ঘদিন ধরেই ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে। এই জলপথে যেকোনো ধরনের বাধা বা নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিশেষ করে তেল পরিবহন ব্যবস্থার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফলে যুক্তরাজ্যের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন