চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা টাঙিয়ে রাখার পরও সেখানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত থাকার ঘটনা ধরা পড়েছে। অভিযানে মোট ৯ হাজার ৭৮৩ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি। অভিযানটি পরিচালিত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা-এর পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স বার্দাস এন্ড সিস্টার্স ফিলিং স্টেশনে।
অভিযানের সময় দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনটিতে “তেল নেই” লেখা সাইনবোর্ড টাঙানো থাকলেও ভেতরে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে। তল্লাশিতে পাওয়া যায়—
২,৩৬৮ লিটার পেট্রোল
৩,৭৬০ লিটার ডিজেল
৩,৬৫৫ লিটার অকটেন
সব মিলিয়ে মোট ৯,৭৮৩ লিটার জ্বালানি তেল মজুত ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। প্রশাসন জানিয়েছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি বিক্রি না করা এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি করার অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ লেখা টাঙিয়ে রাখার পরও সেখানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত থাকার ঘটনা ধরা পড়েছে। অভিযানে মোট ৯ হাজার ৭৮৩ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এই অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জাকির মুন্সি। অভিযানটি পরিচালিত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা-এর পার্বতীপুর ইউনিয়নের বড়দাদপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স বার্দাস এন্ড সিস্টার্স ফিলিং স্টেশনে।
অভিযানের সময় দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনটিতে “তেল নেই” লেখা সাইনবোর্ড টাঙানো থাকলেও ভেতরে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে। তল্লাশিতে পাওয়া যায়—
২,৩৬৮ লিটার পেট্রোল
৩,৭৬০ লিটার ডিজেল
৩,৬৫৫ লিটার অকটেন
সব মিলিয়ে মোট ৯,৭৮৩ লিটার জ্বালানি তেল মজুত ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। প্রশাসন জানিয়েছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্রাহকদের কাছে জ্বালানি বিক্রি না করা এবং বাজারে অস্থিরতা তৈরি করার অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন