কুয়েতে বিস্ফোরণে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত-এ এক বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক জাহেদ হোসেন (৩০) নিহত হয়েছেন। তিনি সন্দ্বীপ উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিনের ছেলে।
নিহত জাহেদের সহকর্মী লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১১টার দিকে কুয়েতের সালমি এলাকার মরুভূমিতে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় জাহেদের মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের ছোড়া একটি মিসাইল বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে কুয়েতে বসবাসরত স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের দাবি ভিন্ন। তাদের মতে, মরুভূমিতে বহু বছর আগে পোঁতা একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের কারণেই জাহেদের মৃত্যু ঘটে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক–কুয়েত যুদ্ধ চলাকালে সীমান্তবর্তী মরু এলাকায় বিপুল পরিমাণ ল্যান্ডমাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার বহু বছর পরেও এসব বিস্ফোরক পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে মাঝে মধ্যেই মরুভূমির কিছু এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি থেকে যায়।
জাহেদ হোসেন কী কারণে ওই মরুভূমি এলাকায় গিয়েছিলেন বা বিস্ফোরণের সময় তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
এদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি সূত্র জানায়, নিহত জাহেদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য তার সহকর্মীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘটনার খবর তার পরিবারের কাছেও পৌঁছেছে এবং তারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রসঙ্গত, কুয়েতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন, যাদের অনেকেই নির্মাণ ও মরু অঞ্চলের বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত থাকেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পুরোনো যুদ্ধক্ষেত্র বা মরুভূমির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এখনো অবিস্ফোরিত ল্যান্ডমাইনের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
কুয়েতে বিস্ফোরণে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত-এ এক বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক জাহেদ হোসেন (৩০) নিহত হয়েছেন। তিনি সন্দ্বীপ উপজেলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিনের ছেলে।
নিহত জাহেদের সহকর্মী লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১১টার দিকে কুয়েতের সালমি এলাকার মরুভূমিতে একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় জাহেদের মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, ইরানের ছোড়া একটি মিসাইল বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে কুয়েতে বসবাসরত স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের দাবি ভিন্ন। তাদের মতে, মরুভূমিতে বহু বছর আগে পোঁতা একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের কারণেই জাহেদের মৃত্যু ঘটে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরাক–কুয়েত যুদ্ধ চলাকালে সীমান্তবর্তী মরু এলাকায় বিপুল পরিমাণ ল্যান্ডমাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার বহু বছর পরেও এসব বিস্ফোরক পুরোপুরি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে মাঝে মধ্যেই মরুভূমির কিছু এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি থেকে যায়।
জাহেদ হোসেন কী কারণে ওই মরুভূমি এলাকায় গিয়েছিলেন বা বিস্ফোরণের সময় তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না—এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
এদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি সূত্র জানায়, নিহত জাহেদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য তার সহকর্মীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন। ঘটনার খবর তার পরিবারের কাছেও পৌঁছেছে এবং তারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রসঙ্গত, কুয়েতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন, যাদের অনেকেই নির্মাণ ও মরু অঞ্চলের বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত থাকেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পুরোনো যুদ্ধক্ষেত্র বা মরুভূমির নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এখনো অবিস্ফোরিত ল্যান্ডমাইনের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন