সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্য থেকেও একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসতে পারেন—সেই অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর ১৩ এলাকায় এতিমদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
“সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে”
তিনি দলীয় ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে এসে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনীতিকে এমন জায়গায় নিতে হবে যেখানে সামাজিক পরিচয় বা পারিবারিক পটভূমি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা
জামায়াত আমীর বলেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে তারা সরকারের পাশে থেকে দেশকে এগিয়ে নিতে চান। সরকারের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করার পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি অভিযোগ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—যা তার ভাষায় সরকারের “নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ”।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সহনশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্য থেকেও একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসতে পারেন—সেই অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুর ১৩ এলাকায় এতিমদের জন্য আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
“সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে”
তিনি দলীয় ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতা থেকে বেরিয়ে এসে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাজনীতিকে এমন জায়গায় নিতে হবে যেখানে সামাজিক পরিচয় বা পারিবারিক পটভূমি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা
জামায়াত আমীর বলেন, দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে তারা সরকারের পাশে থেকে দেশকে এগিয়ে নিতে চান। সরকারের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করার পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি অভিযোগ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—যা তার ভাষায় সরকারের “নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ”।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সহনশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন