জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী রাজনৈতিক অধ্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দীর্ঘ ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের প্রথম নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে।
বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান। একই অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ করবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও।
শপথ অনুষ্ঠান যেভাবে
রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আমলাতান্ত্রিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি গণমাধ্যমে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
গত বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী প্রশাসন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হয়। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সামনে চ্যালেঞ্জ
নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা হবে বড় পরীক্ষা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর আজকের এই শপথ অনুষ্ঠান নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন অনেকে। এখন নজর থাকবে—প্রতিশ্রুত পরিবর্তন বাস্তবায়নে নতুন সরকার কতটা সফল

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী রাজনৈতিক অধ্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দীর্ঘ ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের প্রথম নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে।
বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান। একই অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ করবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও।
শপথ অনুষ্ঠান যেভাবে
রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আমলাতান্ত্রিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি গণমাধ্যমে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
গত বছরের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী প্রশাসন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পালন করে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম হয়। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সামনে চ্যালেঞ্জ
নতুন সরকারের সামনে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা হবে বড় পরীক্ষা।
দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর আজকের এই শপথ অনুষ্ঠান নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন অনেকে। এখন নজর থাকবে—প্রতিশ্রুত পরিবর্তন বাস্তবায়নে নতুন সরকার কতটা সফল

আপনার মতামত লিখুন