ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা, ভিডিও ভাইরাল
পঞ্চগড়ে নির্বাচনে জয়লাভের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন আবু দাউদ প্রধান। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পঞ্চগড় সদর উপজেলা শাখার সভাপতি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নে অবস্থিত আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে তালা খুলে দেন তিনি। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার বার্তা দেন বলে উপস্থিত কয়েকজন জানান।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু দাউদ প্রধান কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে তালা খোলার উদ্যোগ নেন এবং সেখানে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এক পক্ষ বলছে, এটি স্থানীয় পর্যায়ে সহনশীল রাজনীতির ইতিবাচক বার্তা হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের কার্যালয় খুলে দেওয়া কতটা আইনসম্মত এবং প্রশাসনের অনুমতি ছিল কি না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ বা বিএনপির জেলা নেতাদের প্রতিক্রিয়াও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে এমন পদক্ষেপ রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটে জিতেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা, ভিডিও ভাইরাল
পঞ্চগড়ে নির্বাচনে জয়লাভের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দিয়েছেন আবু দাউদ প্রধান। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পঞ্চগড় সদর উপজেলা শাখার সভাপতি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নে অবস্থিত আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে গিয়ে তালা খুলে দেন তিনি। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার বার্তা দেন বলে উপস্থিত কয়েকজন জানান।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, আবু দাউদ প্রধান কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে তালা খোলার উদ্যোগ নেন এবং সেখানে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এক পক্ষ বলছে, এটি স্থানীয় পর্যায়ে সহনশীল রাজনীতির ইতিবাচক বার্তা হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন—কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের কার্যালয় খুলে দেওয়া কতটা আইনসম্মত এবং প্রশাসনের অনুমতি ছিল কি না।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ বা বিএনপির জেলা নেতাদের প্রতিক্রিয়াও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে এমন পদক্ষেপ রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন