ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতকে “একটি ভুল যুদ্ধ” বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী Rachel Reeves। তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে তা শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নষ্ট করবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
রিভসের মতে, ইতোমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতি নানা চাপের মধ্যে রয়েছে—মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন—এর মধ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে। এতে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসন করা জরুরি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যের এ ধরনের বক্তব্য পশ্চিমা বিশ্বের ভেতরেও ইরান ইস্যুতে সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর বদলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই সমস্যার সমাধান খোঁজার প্রবণতা এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতকে “একটি ভুল যুদ্ধ” বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী Rachel Reeves। তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে তা শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নষ্ট করবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
রিভসের মতে, ইতোমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতি নানা চাপের মধ্যে রয়েছে—মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন—এর মধ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ শুরু হলে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে। এতে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়ে বলেন, উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসন করা জরুরি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যের এ ধরনের বক্তব্য পশ্চিমা বিশ্বের ভেতরেও ইরান ইস্যুতে সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়। সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর বদলে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই সমস্যার সমাধান খোঁজার প্রবণতা এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন