বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দুরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শান্তিতে কাজ করে অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বউশার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি।
বিএনপি জোটের ২১২ টি আসনে জয়লাভ করায়
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আমি মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) বাউবি ছাত্র এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দুরদর্শি নেতৃত্ব দিয়ে এবার বিএনপি সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে বিশ্বব্যাপী শান্তিতে কাজ করে ভুমিকা রেখে ঐতিহাসিক রেকর্ড করবেন।
তারেক রহমানের সংগ্রামী জীবনের মূল দিক হলো ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার, অকথ্য নির্যাতন ও পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় সপরিবারে অবস্থান করেন এবং নির্বাসিত থেকেই বিএনপির নেতৃত্ব দেন,
তারেক রহমানের জীবনের প্রধান সংগ্রাম ও উত্থান-পতন:
রাজনৈতিক উত্থান: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ২০০২ সালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হয়ে দেশব্যাপী তরুণ ও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেন,
কারাবরণ ও নির্যাতন: ২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দি ছিলেন এবং রিমান্ডে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন।
নির্বাসিত জীবন (লন্ডন পর্ব): ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান এবং সপরিবারে দীর্ঘ সময় সেখানে নির্বাসিত জীবন যাপন করেন, যেখান থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,
মামলা ও আইনি লড়াই: তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: দীর্ঘ প্রায় সতেরো বছরের নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফিরেছেন।
২০০২-এর পর তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভিত মজবুত করতে তারেক রহমান ভূমিকা রাখেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ নির্বাসন তাকে রাজনীতিতে এক ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছেন, কিন্তু তাঁর দুরদর্শিতা নেতৃত্বর কারণে সফল হয়েছেন। আমি সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের জীবনে বিশ্বব্যাপী শান্তিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দুরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী শান্তিতে কাজ করে অবদান রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বউশার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি।
বিএনপি জোটের ২১২ টি আসনে জয়লাভ করায়
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আমি মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) বাউবি ছাত্র এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের দুরদর্শি নেতৃত্ব দিয়ে এবার বিএনপি সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়নে কাজ করে বিশ্বব্যাপী শান্তিতে কাজ করে ভুমিকা রেখে ঐতিহাসিক রেকর্ড করবেন।
তারেক রহমানের সংগ্রামী জীবনের মূল দিক হলো ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেফতার, অকথ্য নির্যাতন ও পরবর্তীতে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় সপরিবারে অবস্থান করেন এবং নির্বাসিত থেকেই বিএনপির নেতৃত্ব দেন,
তারেক রহমানের জীবনের প্রধান সংগ্রাম ও উত্থান-পতন:
রাজনৈতিক উত্থান: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ২০০২ সালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হয়ে দেশব্যাপী তরুণ ও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেন,
কারাবরণ ও নির্যাতন: ২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে গ্রেফতার হয়ে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দি ছিলেন এবং রিমান্ডে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন।
নির্বাসিত জীবন (লন্ডন পর্ব): ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান এবং সপরিবারে দীর্ঘ সময় সেখানে নির্বাসিত জীবন যাপন করেন, যেখান থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন,
মামলা ও আইনি লড়াই: তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: দীর্ঘ প্রায় সতেরো বছরের নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফিরেছেন।
২০০২-এর পর তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভিত মজবুত করতে তারেক রহমান ভূমিকা রাখেন, কিন্তু পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ নির্বাসন তাকে রাজনীতিতে এক ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছেন, কিন্তু তাঁর দুরদর্শিতা নেতৃত্বর কারণে সফল হয়েছেন। আমি সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের জীবনে বিশ্বব্যাপী শান্তিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
রেজাউল করিম চৌধুরী (করিম রেজা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, ঢাকা।

আপনার মতামত লিখুন