বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের পথে রওনা দিয়েছে, সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ থাকলে গণতন্ত্রের ট্রেন অবশ্যই তার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাবে, ইনশাআল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রধান ভিত্তি। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
সিইসি বলেন, “নির্বাচন শুধু একটি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ। আমরা চাই ভোটাররা নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।” তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের নয়; কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। “গণতন্ত্রের যাত্রাপথে চ্যালেঞ্জ থাকবেই, তবে আমরা আশাবাদী—সবার সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা সম্ভব,” যোগ করেন তিনি।
শেষে সিইসি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের পথে রওনা দিয়েছে, সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ থাকলে গণতন্ত্রের ট্রেন অবশ্যই তার নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাবে, ইনশাআল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। নির্বাচন ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে উৎসবমুখর পরিবেশের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রধান ভিত্তি। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
সিইসি বলেন, “নির্বাচন শুধু একটি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ। আমরা চাই ভোটাররা নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।” তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, কোথাও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের নয়; কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। “গণতন্ত্রের যাত্রাপথে চ্যালেঞ্জ থাকবেই, তবে আমরা আশাবাদী—সবার সহযোগিতায় সেই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা সম্ভব,” যোগ করেন তিনি।
শেষে সিইসি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন