১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ
আসন্ন ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আগামী ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।
ইসি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা, সভা, সমাবেশ, মিছিল কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার সময়সীমায় কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল বিধি লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
ইসি আশা প্রকাশ করেছে, নির্ধারিত সময়ের এই নিষেধাজ্ঞা পালনের মাধ্যমে ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ
আসন্ন ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আগামী ১০ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।
ইসি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা, সভা, সমাবেশ, মিছিল কিংবা শোভাযাত্রা আয়োজন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার সময়সীমায় কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল বিধি লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
ইসি আশা প্রকাশ করেছে, নির্ধারিত সময়ের এই নিষেধাজ্ঞা পালনের মাধ্যমে ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন

আপনার মতামত লিখুন