ভোটকেন্দ্রে ফোন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এ হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভোটারদের অধিকার খর্ব করার শামিল। তার দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে কী ঘটছে তা জনগণের কাছ থেকে গোপন রাখার সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, তাহলে ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ রেখে কোনো স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয়।”
এনসিপি আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, অতীতের নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম ও কারচুপির প্রমাণ হিসেবে বহু তথ্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই জনসমক্ষে এসেছে। নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে বলে জনগণের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করে, তাহলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে এর আগে ইসি জানিয়েছিল, ভুয়া ভোট ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি ও আন্দোলনের ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটকেন্দ্রে ফোন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে ইসি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা হলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাহিদ ইসলাম এ হুঁশিয়ারি দেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত ভোটারদের অধিকার খর্ব করার শামিল। তার দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে কী ঘটছে তা জনগণের কাছ থেকে গোপন রাখার সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে চায়, তাহলে ভোটকেন্দ্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ রেখে কোনো স্বচ্ছ নির্বাচন সম্ভব নয়।”
এনসিপি আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, অতীতের নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম ও কারচুপির প্রমাণ হিসেবে বহু তথ্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই জনসমক্ষে এসেছে। নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে বলে জনগণের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করে, তাহলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে এর আগে ইসি জানিয়েছিল, ভুয়া ভোট ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আপত্তি ও আন্দোলনের ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন