৩৯.৫ শতাংশ ভোটে এগিয়ে জামায়াত আমির
ঢাকা: ঢাকা-১৫ আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে আছেন বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সোচ্চার।
জরিপ অনুযায়ী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভোট ভাগ যথেষ্ট কম বলা হয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এটি একটি সম্ভাব্য ভোটের চিত্র মাত্র। ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ ও ভোটার উপস্থিতি, শেষ মুহূর্তের প্রচারণা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এই ফলাফলকে ফাইনাল বা চূড়ান্ত ফল হিসেবে ধরা যাবে না।
সোচ্চারের জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের মধ্যে ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সী নাগরিকদের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা এবং জনমতের গতিশীলতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর এই আসনটি সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে থাকে। তাই চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে ভোটারদের উপস্থিতি এবং নির্বাচনী দিনের আচরণের উপর।
ঢাকা-১৫ আসনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার। নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুমুলভাবে চলছে এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দল ভোটারদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, সরকারিভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে। এর আগে প্রকাশিত যে কোনো জরিপ বা পূর্বাভাস কেবল ভোটের সম্ভাব্য পরিস্থিতি নির্দেশ করে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩৯.৫ শতাংশ ভোটে এগিয়ে জামায়াত আমির
ঢাকা: ঢাকা-১৫ আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে এগিয়ে আছেন বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সোচ্চার।
জরিপ অনুযায়ী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভোট ভাগ যথেষ্ট কম বলা হয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এটি একটি সম্ভাব্য ভোটের চিত্র মাত্র। ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ ও ভোটার উপস্থিতি, শেষ মুহূর্তের প্রচারণা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এই ফলাফলকে ফাইনাল বা চূড়ান্ত ফল হিসেবে ধরা যাবে না।
সোচ্চারের জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের মধ্যে ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সী নাগরিকদের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে নির্বাচনী এলাকায় রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা এবং জনমতের গতিশীলতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর এই আসনটি সবসময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে থাকে। তাই চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে ভোটারদের উপস্থিতি এবং নির্বাচনী দিনের আচরণের উপর।
ঢাকা-১৫ আসনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার। নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুমুলভাবে চলছে এবং প্রতিটি রাজনৈতিক দল ভোটারদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, সরকারিভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে। এর আগে প্রকাশিত যে কোনো জরিপ বা পূর্বাভাস কেবল ভোটের সম্ভাব্য পরিস্থিতি নির্দেশ করে।

আপনার মতামত লিখুন