ধর্ম দিয়ে কোনো বিচার হবে না, যোগ্যতা ও মেধাই হবে মানদণ্ড: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে কাউকে ধর্মের ভিত্তিতে বিচার করা হবে না; বরং যোগ্যতা ও মেধাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও দায়িত্ব বণ্টনের একমাত্র মানদণ্ড। তিনি বলেন, এই দেশ পুনর্গঠনের সময় এসেছে এবং অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, “আমরা আন্দোলন করেছি, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ স্বাধীন করেছি। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। এখন আমাদের দায়িত্ব দেশকে নতুন করে গড়ে তোলা।”
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে মজবুত না করলে জনগণের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে যখন আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, তখন আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান। ২০২৪ সালে রাজপথে যখন মানুষ নেমে এসেছিল, তখনও আমরা ধর্মের বিভাজন করিনি।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় ও সম্প্রীতির দেশ। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতি ও ঐক্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তিনি বলেন, ভবিষ্যত বাংলাদেশ হবে এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে এবং ধর্ম নয়, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ধর্ম দিয়ে কোনো বিচার হবে না, যোগ্যতা ও মেধাই হবে মানদণ্ড: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে কাউকে ধর্মের ভিত্তিতে বিচার করা হবে না; বরং যোগ্যতা ও মেধাই হবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও দায়িত্ব বণ্টনের একমাত্র মানদণ্ড। তিনি বলেন, এই দেশ পুনর্গঠনের সময় এসেছে এবং অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে।
তিনি বলেন, “আমরা আন্দোলন করেছি, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ স্বাধীন করেছি। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা সেই স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। এখন আমাদের দায়িত্ব দেশকে নতুন করে গড়ে তোলা।”
তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে মজবুত না করলে জনগণের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে যখন আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, তখন আমরা দেখিনি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান। ২০২৪ সালে রাজপথে যখন মানুষ নেমে এসেছিল, তখনও আমরা ধর্মের বিভাজন করিনি।”
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় ও সম্প্রীতির দেশ। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা শান্তিপূর্ণভাবে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতি ও ঐক্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
তিনি বলেন, ভবিষ্যত বাংলাদেশ হবে এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে সবাই সমান অধিকার পাবে এবং ধর্ম নয়, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন