নির্বাচনের আগে ‘ভাই’, পরে খোঁজও নেয় না—হবিগঞ্জে জামায়াত আমির
নির্বাচনের আগে ভোটারদের নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও ভোট শেষ হলে তাদের আর খোঁজ নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে অনেকেই ভোটারদের দেখলেই বলে—আপনাকে আমার ভাইয়ের মতো লাগে। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে ভাই তো দূরের কথা, একটু শালার মর্যাদাও দেয় না।”
রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ বারবার প্রতারিত হয়েছে। নির্বাচন এলেই সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়া হয়, নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভোটের পর সেই মানুষগুলোর দুঃখ-কষ্ট, অধিকার ও ন্যায্য দাবির বিষয়ে আর কেউ কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি যদি কেবল ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হয়, তাহলে জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা না থাকলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
জামায়াত আমিরের বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটারদের সম্মান দেওয়া এবং নির্বাচনের পরও তাদের পাশে থাকা একটি নৈতিক দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, জনগণ এখন সচেতন এবং প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার পার্থক্য বুঝতে শিখেছে।
জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নির্বাচনে ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানান।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনের আগে ‘ভাই’, পরে খোঁজও নেয় না—হবিগঞ্জে জামায়াত আমির
নির্বাচনের আগে ভোটারদের নানা আশ্বাস দেওয়া হলেও ভোট শেষ হলে তাদের আর খোঁজ নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে অনেকেই ভোটারদের দেখলেই বলে—আপনাকে আমার ভাইয়ের মতো লাগে। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে ভাই তো দূরের কথা, একটু শালার মর্যাদাও দেয় না।”
রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জের নিউ ফিল্ড মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ বারবার প্রতারিত হয়েছে। নির্বাচন এলেই সাধারণ মানুষের কাছে যাওয়া হয়, নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু ভোটের পর সেই মানুষগুলোর দুঃখ-কষ্ট, অধিকার ও ন্যায্য দাবির বিষয়ে আর কেউ কথা বলে না।
তিনি আরও বলেন, রাজনীতি যদি কেবল ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হয়, তাহলে জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা না থাকলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
জামায়াত আমিরের বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটারদের সম্মান দেওয়া এবং নির্বাচনের পরও তাদের পাশে থাকা একটি নৈতিক দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, জনগণ এখন সচেতন এবং প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার পার্থক্য বুঝতে শিখেছে।
জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নির্বাচনে ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন