আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য: জামায়াত আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্য। তার আপন ভাই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন। তবে বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা দেখলে হয়তো তার ভাই সেদিন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে ডা. শফিকুর
রহমান বলেন, “এখানে রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধারা আছেন, তাদের সন্তানেরাও আছেন। আমিও একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার ভাই এ দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন।” তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা।বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, তা আজ অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাহত হয়েছে। দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, ভোটাধিকার হরণ এবং ন্যায়বিচারের অভাব দেশের মানুষকে হতাশ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আজকের বাংলাদেশ দেখে আমার ভাই যদি বেঁচে থাকতেন, হয়তো তিনি প্রশ্ন করতেন—এই দেশ কি সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ, যার জন্য আমরা জীবন দিয়েছিলাম?” তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জামায়াত আমীরের এই বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতার সমালোচনা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বক্তব্যের ভাষা ও উপস্থাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
তবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করা নয়; বরং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ও রাজনীতির দায়বদ্ধতা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আমিও এক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য: জামায়াত আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্য। তার আপন ভাই ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়েছেন। তবে বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা দেখলে হয়তো তার ভাই সেদিন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এখানে রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধারা আছেন, তাদের সন্তানেরাও আছেন। আমিও একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য। আমার ভাই এ দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন।” তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা।
বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে জামায়াত আমীর বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, তা আজ অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাহত হয়েছে। দুর্নীতি, দমন-পীড়ন, ভোটাধিকার হরণ এবং ন্যায়বিচারের অভাব দেশের মানুষকে হতাশ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আজকের বাংলাদেশ দেখে আমার ভাই যদি বেঁচে থাকতেন, হয়তো তিনি প্রশ্ন করতেন—এই দেশ কি সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ, যার জন্য আমরা জীবন দিয়েছিলাম?” তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
জামায়াত আমীরের এই বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ এটিকে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতার সমালোচনা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বক্তব্যের ভাষা ও উপস্থাপন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
তবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করা নয়; বরং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বাস্তবায়নে রাষ্ট্র ও রাজনীতির দায়বদ্ধতা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন