বিএনপির ৪৪ পৃষ্ঠার ইশতেহার প্রকাশ, দেখে নিন কী আছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ৪৪ পৃষ্ঠার এই ইশতেহার শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিকাল সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
দলীয় সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি একটি অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে দলটির ঘোষণায়।
অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়াই এবারের ইশতেহারের মূল লক্ষ্য।
ইশতেহার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। দলটি আশা করছে, ঘোষিত ইশতেহার আগামী নির্বাচনে ভোটারদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির ৪৪ পৃষ্ঠার ইশতেহার প্রকাশ, দেখে নিন কী আছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ৪৪ পৃষ্ঠার এই ইশতেহার শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বিকাল সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
দলীয় সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত সংস্কার এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি একটি অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলবে। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে দলটির ঘোষণায়।
অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়াই এবারের ইশতেহারের মূল লক্ষ্য।
ইশতেহার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। দলটি আশা করছে, ঘোষিত ইশতেহার আগামী নির্বাচনে ভোটারদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন