রাজধানীর মগবাজারে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা একত্রিত হন চলমান আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে প্রায় দুই ঘণ্টা, শেষ হয় বেলা পৌনে ১টার দিকে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।
এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আন্দোলনের গতি ও কৌশল পুনর্বিন্যাস করা। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও সরকারের সঙ্গে বিরোধী শক্তির টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় ঐক্য তাদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে একই মিলনায়তনে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে নেতারা তাদের নতুন কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক থেকে ঘোষিত কর্মসূচি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারে রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও নড়াচড়া দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে আল-ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা একত্রিত হন চলমান আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণের উদ্দেশ্যে। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠক চলে প্রায় দুই ঘণ্টা, শেষ হয় বেলা পৌনে ১টার দিকে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ জোটের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতারা।
এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আন্দোলনের গতি ও কৌশল পুনর্বিন্যাস করা। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ও সরকারের সঙ্গে বিরোধী শক্তির টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় ঐক্য তাদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে একই মিলনায়তনে একটি প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে নেতারা তাদের নতুন কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক থেকে ঘোষিত কর্মসূচি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন