প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট গণভোটে দায়িত্ব পালনকারী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ না থাকায় বাদ দেওয়া হলো) ঢাকা মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় সেনাপ্রধান বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্য বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে আচরণে নাগরিকবান্ধব মনোভাব প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা বরদাশত করা হবে না। আইন অনুযায়ী সব সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মতবিনিময় সভায় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি, সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা তাঁদের প্রস্তুতি ও করণীয় সম্পর্কে সেনাপ্রধানকে অবহিত করেন।
সভা শেষে সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংশ্লিষ্ট গণভোটে দায়িত্ব পালনকারী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখ না থাকায় বাদ দেওয়া হলো) ঢাকা মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় সেনাপ্রধান বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা ও ধৈর্য বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে আচরণে নাগরিকবান্ধব মনোভাব প্রদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব, অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা বরদাশত করা হবে না। আইন অনুযায়ী সব সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মতবিনিময় সভায় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি, সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা এবং বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। কর্মকর্তারা তাঁদের প্রস্তুতি ও করণীয় সম্পর্কে সেনাপ্রধানকে অবহিত করেন।
সভা শেষে সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদার ও নিরপেক্ষ ভূমিকার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন