জামায়াতের সঙ্গে জোট হলেও বাংলাদেশ ধর্মরাষ্ট্র হবে না: নাহিদ ইসলাম
ভারতের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন দ্য উইক-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করা হলেও বাংলাদেশ কোনোভাবেই ধর্মরাষ্ট্রে পরিণত হবে না।
সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে জানান, এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও রাষ্ট্রভাবনা সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে। তিনি বলেন, জোট রাজনীতি বাস্তবতার অংশ হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধান, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
নাহিদ ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী সমাজব্যবস্থার দেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম, মত ও সংস্কৃতির মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সহাবস্থান করে আসছে। এই বাস্তবতা অস্বীকার করে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, জোট মানেই সব আদর্শে একমত হওয়া নয়। বরং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতরে থেকেই জোট গঠিত হয়। রাষ্ট্রকে ধর্মভিত্তিক রূপ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বা এজেন্ডা এনসিপির নেই বলে তিনি আবারও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যৎ সরকার যদি গঠিত হয়, তবে তা হবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। নারী অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—এই বিষয়গুলোতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে, রাজনৈতিক জোটের কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চরিত্র বদলে যাবে—এমন আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। বরং এনসিপি একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নাগরিক অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পক্ষেই অবস্থান করছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতের সঙ্গে জোট হলেও বাংলাদেশ ধর্মরাষ্ট্র হবে না: নাহিদ ইসলাম
ভারতের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন দ্য উইক-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করা হলেও বাংলাদেশ কোনোভাবেই ধর্মরাষ্ট্রে পরিণত হবে না।
সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম স্পষ্ট করে জানান, এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও রাষ্ট্রভাবনা সম্পূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে। তিনি বলেন, জোট রাজনীতি বাস্তবতার অংশ হলেও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সংবিধান, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
নাহিদ ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী সমাজব্যবস্থার দেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম, মত ও সংস্কৃতির মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সহাবস্থান করে আসছে। এই বাস্তবতা অস্বীকার করে কোনো রাজনৈতিক দল বা জোট রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, জোট মানেই সব আদর্শে একমত হওয়া নয়। বরং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভেতরে থেকেই জোট গঠিত হয়। রাষ্ট্রকে ধর্মভিত্তিক রূপ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বা এজেন্ডা এনসিপির নেই বলে তিনি আবারও জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যৎ সরকার যদি গঠিত হয়, তবে তা হবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। নারী অধিকার, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—এই বিষয়গুলোতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত স্পষ্ট করতে চেয়েছেন যে, রাজনৈতিক জোটের কারণে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চরিত্র বদলে যাবে—এমন আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। বরং এনসিপি একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নাগরিক অধিকারভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পক্ষেই অবস্থান করছে।

আপনার মতামত লিখুন