দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘লালকার্ড’ দেখাতে হবে: রাশেদ প্রধান
ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া এলাকায় অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়েছেন জাগপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) বিকেলে আয়োজিত ওই জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে হলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির রাজনীতিকে লালকার্ড দেখাতে হবে।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে রাশেদ প্রধান বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো অভিযোগ করছেন না, তবে সমাজে কিছু কুচক্রী মহল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমি বলছি না, দুষ্ট মানুষেরা বলে—পর্যাপ্ত বয়স হওয়া সত্ত্বেও ফখরুল সাহেব নাকি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। এমনকি দুষ্ট লোকেরা এ-ও বলে, ফখরুল সাহেবের পিতা নাকি এই এলাকার একজন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন।”
তিনি এসব বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক চরিত্র হননের সংস্কৃতির সমালোচনা করেন এবং বলেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু অপপ্রচার ও মিথ্যাচার গ্রহণযোগ্য নয়।
জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে প্রচলিত সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ প্রধান বলেন, “অনেকে বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশ আফগানিস্তান হয়ে যাবে। এই ধরনের ভয় দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, এ ধরনের বক্তব্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
জনসভায় তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল প্রত্যাখ্যান করতে চায় এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতার রাজনীতি দেখতে চায়। সে লক্ষ্যেই ১১ দলীয় জোট মাঠে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘লালকার্ড’ দেখাতে হবে: রাশেদ প্রধান
ঠাকুরগাঁওয়ের গড়েয়া এলাকায় অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান জানিয়েছেন জাগপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) বিকেলে আয়োজিত ওই জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “দেশকে এগিয়ে নিতে হলে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির রাজনীতিকে লালকার্ড দেখাতে হবে।”
বক্তব্যের একপর্যায়ে রাশেদ প্রধান বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো অভিযোগ করছেন না, তবে সমাজে কিছু কুচক্রী মহল বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমি বলছি না, দুষ্ট মানুষেরা বলে—পর্যাপ্ত বয়স হওয়া সত্ত্বেও ফখরুল সাহেব নাকি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। এমনকি দুষ্ট লোকেরা এ-ও বলে, ফখরুল সাহেবের পিতা নাকি এই এলাকার একজন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন।”
তিনি এসব বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক চরিত্র হননের সংস্কৃতির সমালোচনা করেন এবং বলেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু অপপ্রচার ও মিথ্যাচার গ্রহণযোগ্য নয়।
জামায়াতে ইসলামীর বিষয়ে প্রচলিত সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ প্রধান বলেন, “অনেকে বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে দেশ আফগানিস্তান হয়ে যাবে। এই ধরনের ভয় দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, এ ধরনের বক্তব্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।
জনসভায় তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন পুরোনো রাজনৈতিক কৌশল প্রত্যাখ্যান করতে চায় এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতার রাজনীতি দেখতে চায়। সে লক্ষ্যেই ১১ দলীয় জোট মাঠে কাজ করছে বলে তিনি জানান।
সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন