দুই-তিনটি দল ৫৪ বছর দেশটাকে লুটেপুটে খেয়েছে: গোলাম পরোয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে দেশের ক্ষমতায় থাকা দুই-তিনটি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই দলগুলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
শুক্রবার এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই দলগুলোর একটি আবারও ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা দেশবাসীর সামনে যে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই পরীক্ষায় তারা শোচনীয়ভাবে ফেল করেছে।”
গোলাম পরোয়ার বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও এসব দল দেশে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং দুর্নীতি, লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহারই ছিল তাদের শাসনামলের মূল বৈশিষ্ট্য। এর ফলে সাধারণ মানুষ বারবার বঞ্চিত হয়েছে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ এখন পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। মানুষ একটি নৈতিকতা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রত্যাশা করে। জামায়াতে ইসলামী সেই বিকল্প রাজনীতি উপহার দিতে প্রস্তুত বলেও দাবি করেন তিনি।
সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “দেশের মানুষ আর ফাঁকা প্রতিশ্রুতি চায় না। তারা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দেখতে চায়। আগামী দিনে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে—কারা সত্যিকার অর্থে দেশ পরিচালনার যোগ্য।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে সবাইকে সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
দুই-তিনটি দল ৫৪ বছর দেশটাকে লুটেপুটে খেয়েছে: গোলাম পরোয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে দেশের ক্ষমতায় থাকা দুই-তিনটি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই দলগুলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
শুক্রবার এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই দলগুলোর একটি আবারও ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা দেশবাসীর সামনে যে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই পরীক্ষায় তারা শোচনীয়ভাবে ফেল করেছে।”
গোলাম পরোয়ার বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেও এসব দল দেশে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং দুর্নীতি, লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহারই ছিল তাদের শাসনামলের মূল বৈশিষ্ট্য। এর ফলে সাধারণ মানুষ বারবার বঞ্চিত হয়েছে এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ এখন পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। মানুষ একটি নৈতিকতা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রত্যাশা করে। জামায়াতে ইসলামী সেই বিকল্প রাজনীতি উপহার দিতে প্রস্তুত বলেও দাবি করেন তিনি।
সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “দেশের মানুষ আর ফাঁকা প্রতিশ্রুতি চায় না। তারা কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দেখতে চায়। আগামী দিনে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে—কারা সত্যিকার অর্থে দেশ পরিচালনার যোগ্য।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের মাধ্যমে সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে সবাইকে সচেতন ভূমিকা রাখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন