শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড
ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার, তদন্তে নির্বাচন কমিশন
শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তারা হলেন— ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
যেভাবে ঘটনা ঘটে
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতি উপজেলায় একটি নির্বাচনসংক্রান্ত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা মাওলানা রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
ইসি সচিব জানান,
“নির্বাচনী পরিবেশে এমন সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকারের প্রতিক্রিয়া
অন্তর্বর্তী সরকার এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহিংসতা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ঘটনার পর ঝিনাইগাতি উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যাকাণ্ড
ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার, তদন্তে নির্বাচন কমিশন
শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ দুই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তারা হলেন— ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
যেভাবে ঘটনা ঘটে
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতি উপজেলায় একটি নির্বাচনসংক্রান্ত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা মাওলানা রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে ইউএনও ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
ইসি সচিব জানান,
“নির্বাচনী পরিবেশে এমন সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দায় নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সরকারের প্রতিক্রিয়া
অন্তর্বর্তী সরকার এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহিংসতা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ঘটনার পর ঝিনাইগাতি উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন