লেবার পার্টিকে নিয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ফিরছে জামায়াত জোট
শেষ মুহূর্তে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনি জোট থেকে সরে দাঁড়ালেও আবারও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ফিরছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। লেবার পার্টিকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ১০ দলীয় জোট পুনরায় ১১ দলে রূপ নিতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো নিয়ে গঠিত জোটটি ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে রূপ নেয়। ওই অবস্থাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু হয় এবং প্রথম দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক জনসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়।
জোট সূত্র জানায়, নির্বাচনের মাঠে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো ও ভোটব্যাংক সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই লেবার পার্টিকে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে নীতিগতভাবে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী নেতারা বলছেন, “দেশে একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য জরুরি। সেই লক্ষ্যেই সমমনা দলগুলোকে এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা চলছে।”
অন্যদিকে লেবার পার্টির নেতারাও জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নেওয়াই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ। তারা আশা করছেন, এই জোটের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে একটি বিকল্প রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১১ দলীয় ঐক্যে জোটের পুনর্গঠন নির্বাচনি মাঠে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটকে কিছুটা বাড়তি গতি দিতে পারে। বিশেষ করে সংগঠিত কর্মীভিত্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রচারে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ইসলামী আন্দোলনের সরে দাঁড়ানোয় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, লেবার পার্টির অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তা অনেকটাই পূরণ হবে বলে জোট সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে এবং নির্বাচনি প্রচারে এই নতুন সমীকরণের প্রভাব কতটা পড়ে, সেদিকেই রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
লেবার পার্টিকে নিয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ফিরছে জামায়াত জোট
শেষ মুহূর্তে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনি জোট থেকে সরে দাঁড়ালেও আবারও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে ফিরছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট। লেবার পার্টিকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে ১০ দলীয় জোট পুনরায় ১১ দলে রূপ নিতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো নিয়ে গঠিত জোটটি ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে রূপ নেয়। ওই অবস্থাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু হয় এবং প্রথম দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক জনসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়।
জোট সূত্র জানায়, নির্বাচনের মাঠে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো ও ভোটব্যাংক সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই লেবার পার্টিকে যুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইতোমধ্যে নীতিগতভাবে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
জামায়াতে ইসলামী নেতারা বলছেন, “দেশে একটি গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য জরুরি। সেই লক্ষ্যেই সমমনা দলগুলোকে এক ছাতার নিচে আনার চেষ্টা চলছে।”
অন্যদিকে লেবার পার্টির নেতারাও জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নেওয়াই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ। তারা আশা করছেন, এই জোটের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে একটি বিকল্প রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১১ দলীয় ঐক্যে জোটের পুনর্গঠন নির্বাচনি মাঠে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটকে কিছুটা বাড়তি গতি দিতে পারে। বিশেষ করে সংগঠিত কর্মীভিত্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রচারে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ইসলামী আন্দোলনের সরে দাঁড়ানোয় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, লেবার পার্টির অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তা অনেকটাই পূরণ হবে বলে জোট সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে এবং নির্বাচনি প্রচারে এই নতুন সমীকরণের প্রভাব কতটা পড়ে, সেদিকেই রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি।

আপনার মতামত লিখুন