দেড় যুগ পর মুক্ত পরিবেশে শুরু নির্বাচনি প্রচার
ভোটের উৎসবে ফিরছে দেশ
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি: দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে মুক্ত, উৎসবমুখর ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে প্রার্থীরা মাঠে নামছেন, শুরু হচ্ছে প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বহু বছর পর এমন একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে সব বড় রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে প্রচারে অংশ নিচ্ছে, সভা-সমাবেশ করছে এবং ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। এতে করে দীর্ঘদিনের একতরফা নির্বাচনের আড়ষ্টতা কাটিয়ে আবারও ফিরছে ভোটের প্রাণচাঞ্চল্য।
???? উৎসবের আমেজ
নির্বাচনি প্রচার শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় পোস্টার, ব্যানার, মাইকিং ও পথসভায় সরব হয়ে উঠেছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকেই অনেক এলাকায় সমর্থকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। ভোটাররাও আগ্রহ নিয়ে প্রার্থীদের কথা শুনছেন, আলোচনা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থী ও প্রতীক নিয়ে।
????️ গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার প্রত্যাশা
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সমান সুযোগ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি মেনে প্রচার চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। দীর্ঘদিন পর জনগণ সরাসরি নিজেদের পছন্দ প্রকাশের সুযোগ পাবে—এটাই সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক।
???? সামনে কী
আগামী দিনগুলোতে দেশজুড়ে বড় বড় জনসভা, কেন্দ্রভিত্তিক প্রচার, ইশতেহার ঘোষণা ও প্রার্থীদের সরাসরি ভোটার সংযোগ আরও বাড়বে। নির্বাচন যত এগোবে, ততই ভোটের উত্তাপ ও উৎসব ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেড় যুগের অপেক্ষা শেষে শুরু হওয়া এই নির্বাচনি প্রচারকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটাই—
স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
দেড় যুগ পর মুক্ত পরিবেশে শুরু নির্বাচনি প্রচার
ভোটের উৎসবে ফিরছে দেশ
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি: দীর্ঘ দেড় যুগ পর দেশে মুক্ত, উৎসবমুখর ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে প্রার্থীরা মাঠে নামছেন, শুরু হচ্ছে প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বহু বছর পর এমন একটি নির্বাচন হতে যাচ্ছে যেখানে সব বড় রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে প্রচারে অংশ নিচ্ছে, সভা-সমাবেশ করছে এবং ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। এতে করে দীর্ঘদিনের একতরফা নির্বাচনের আড়ষ্টতা কাটিয়ে আবারও ফিরছে ভোটের প্রাণচাঞ্চল্য।
???? উৎসবের আমেজ
নির্বাচনি প্রচার শুরুর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় পোস্টার, ব্যানার, মাইকিং ও পথসভায় সরব হয়ে উঠেছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকেই অনেক এলাকায় সমর্থকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। ভোটাররাও আগ্রহ নিয়ে প্রার্থীদের কথা শুনছেন, আলোচনা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থী ও প্রতীক নিয়ে।
????️ গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার প্রত্যাশা
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সমান সুযোগ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি মেনে প্রচার চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। দীর্ঘদিন পর জনগণ সরাসরি নিজেদের পছন্দ প্রকাশের সুযোগ পাবে—এটাই সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক।
???? সামনে কী
আগামী দিনগুলোতে দেশজুড়ে বড় বড় জনসভা, কেন্দ্রভিত্তিক প্রচার, ইশতেহার ঘোষণা ও প্রার্থীদের সরাসরি ভোটার সংযোগ আরও বাড়বে। নির্বাচন যত এগোবে, ততই ভোটের উত্তাপ ও উৎসব ছড়িয়ে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেড় যুগের অপেক্ষা শেষে শুরু হওয়া এই নির্বাচনি প্রচারকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটাই—
স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

আপনার মতামত লিখুন