খাল দখল করে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড গড়ার উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ ফতুল্লাবাসী
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও শহর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ঐতিহ্যবাহী গঞ্জে আলী খাল দখল করে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপিপন্থি কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফতুল্লা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮
কিলোমিটার দীর্ঘ গঞ্জে আলী খালটি ফতুল্লার চানমারি এলাকা থেকে শুরু হয়ে তল্লা–হাজিগঞ্জ এলাকা অতিক্রম করে শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে মিশেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই খালটি ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ হিসেবেই খালটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।সম্প্রতি খালটির সেক আল্টি এলাকার একটি অংশে নারায়ণগঞ্জ জেলা মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি স্ট্যান্ড শ্রমিক সমিতির নাম ব্যবহার করে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর মাধ্যমে খাল দখল করে সেখানে স্থায়ীভাবে ট্যাক্সি ও মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড গড়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
এলাকাবাসী জানান, খাল দখলের এই চেষ্টা সফল হলে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ফতুল্লা ও আশপাশের এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবেশ ও জনস্বার্থবিরোধী এই উদ্যোগ বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“গঞ্জে আলী খাল ফতুল্লার প্রাণ। এই খাল দখল হলে পুরো এলাকা পানিতে ডুবে যাবে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এমন কাজ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং খাল দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও খাল রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, খাল ও জলাধার দখল বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জ শহর আরও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়বে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
খাল দখল করে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড গড়ার উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ ফতুল্লাবাসী
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও শহর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার ঐতিহ্যবাহী গঞ্জে আলী খাল দখল করে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপিপন্থি কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফতুল্লা ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গঞ্জে আলী খালটি ফতুল্লার চানমারি এলাকা থেকে শুরু হয়ে তল্লা–হাজিগঞ্জ এলাকা অতিক্রম করে শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে মিশেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই খালটি ফতুল্লা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথ হিসেবেই খালটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
সম্প্রতি খালটির সেক আল্টি এলাকার একটি অংশে নারায়ণগঞ্জ জেলা মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি স্ট্যান্ড শ্রমিক সমিতির নাম ব্যবহার করে সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর মাধ্যমে খাল দখল করে সেখানে স্থায়ীভাবে ট্যাক্সি ও মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড গড়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে।
এলাকাবাসী জানান, খাল দখলের এই চেষ্টা সফল হলে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই ফতুল্লা ও আশপাশের এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিবেশ ও জনস্বার্থবিরোধী এই উদ্যোগ বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“গঞ্জে আলী খাল ফতুল্লার প্রাণ। এই খাল দখল হলে পুরো এলাকা পানিতে ডুবে যাবে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এমন কাজ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং খাল দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও খাল রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলছে, খাল ও জলাধার দখল বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জ শহর আরও ভয়াবহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকিতে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন