দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি আছেন ফিলিস্তিনের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা মারওয়ান বারঘুতি। প্রায় ২৪ বছর আগে তাকে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েল, এবং এরপর থেকেই তিনি দেশটির কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
মারওয়ান বারঘুতি ছিলেন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দল ফাতাহ-এর একজন শীর্ষ নেতা এবং অনেকের কাছে তাকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা চলাকালে তার ভূমিকার কারণে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান।
২০০২ সালে তাকে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি বাহিনী। পরে একটি আদালত তাকে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এবং পাঁচবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বারঘুতি সবসময়ই নিজেকে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দাবি করে আসছেন এবং অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ফিলিস্তিনিদের একটি বড় অংশের কাছে মারওয়ান বারঘুতি এখনো প্রতিরোধের প্রতীক। অনেকেই মনে করেন, যদি তিনি মুক্তি পান, তাহলে তিনি ফিলিস্তিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন। এমনকি তাকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবেও দেখা হয়।
বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে তার মুক্তির দাবিও আবার জোরালো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার মুক্তি মধ্যপ্রাচ্য-এর রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও তা নির্ভর করবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের ওপর।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি আছেন ফিলিস্তিনের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা মারওয়ান বারঘুতি। প্রায় ২৪ বছর আগে তাকে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েল, এবং এরপর থেকেই তিনি দেশটির কারাগারে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।
মারওয়ান বারঘুতি ছিলেন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দল ফাতাহ-এর একজন শীর্ষ নেতা এবং অনেকের কাছে তাকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইন্তিফাদা চলাকালে তার ভূমিকার কারণে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান।
২০০২ সালে তাকে গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি বাহিনী। পরে একটি আদালত তাকে একাধিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এবং পাঁচবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে বারঘুতি সবসময়ই নিজেকে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দাবি করে আসছেন এবং অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ফিলিস্তিনিদের একটি বড় অংশের কাছে মারওয়ান বারঘুতি এখনো প্রতিরোধের প্রতীক। অনেকেই মনে করেন, যদি তিনি মুক্তি পান, তাহলে তিনি ফিলিস্তিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারেন। এমনকি তাকে সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবেও দেখা হয়।
বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে তার মুক্তির দাবিও আবার জোরালো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার মুক্তি মধ্যপ্রাচ্য-এর রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও তা নির্ভর করবে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন